যশোর সিভিল সার্জন অফিসসহ ছয়টি প্রতিষ্ঠান পেয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রী পুরস্কার

নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর

যশোর সিভিল সার্জন অফিসসহ ছয়টি প্রতিষ্ঠান পেয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রী পুরস্কার। উন্নত স্বাস্থ্য সেবা প্রদানে বিশেষ অবদান রাখায় ‘স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাতীয় পুরস্কার-২০২০’ অর্জন করেছে খুলনা বিভাগের ১৬টি প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যশোর জেলার ছয়টি রয়েছে।
প্রতিষ্ঠানগুলো হলো, যশোর সিভিল সার্জন অফিস, চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কেশবপুর কমিউনিটি হেলথ্ কেয়ার। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক পুরস্কৃত প্রতিষ্ঠান প্রধানদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন।

এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এ পুরস্কার যে সকল প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে, তাদের জন্য প্রেরণা যোগাবে আরও ভালো করার। এ সম্মাননার সাথে সাথে আর্থিক সম্মাননার একটি প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। আমরা চেষ্টা করব, একটি আর্থিক পুরস্কার যুক্ত করার। চিকিৎসকদের পাশাপাশি পরবর্তী বছর থেকে নার্স ও টেকনিশিয়ানদেরও যুক্ত করা হবে বলে তিনি জানান।

জাতীয় ও বিভাগীয় স্তরের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে শুরু করে জেলা হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বিশেষায়িত স্নাতকোত্তর হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট, কমিউনিটি হেলথ সার্ভিস, সিভিল সার্জন অফিস, বিভাগীয় স্বাস্থ্য অফিস এবং মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ক্যাটাগরিতে ৪৭টি প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সিভিল সার্জন ডাক্তার বিপ্লব কান্তি বিশ্বাস জানান, তিনি সততার সাথে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনাসহ সার্বিক বিষয়ে নজরদারি রেখেছেন। পর পর চারবার যশোর এ পুরস্কার অর্জন করেছে। তিনি নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আগামীতে যশোরবাসীর জন্য এ অর্জনের ধারা অব্যাহত রাখবেন বলে জানান।

খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাক্তার মনজুরুল মুরশিদ জানান, দেশের আটটি বিভাগীয় কার্যালয়ের মধ্যে মাত্র দু’টি কার্যালয় পুরস্কৃত হয়েছে। প্রথম স্থান অর্জন করেছে খুলনা বিভাগ। বিভাগের দশ জেলার সিভিল সার্জনসহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জেলা হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ইউনিয়ন স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র এবং কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর কর্মীবাহিনীর অক্লান্ত পরিশ্রম ও জনগণের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে পারায় পুরস্কার অর্জন সম্ভব হয়েছে। বিভাগীয় কার্যালয় নয়, এ অর্জন সকল স্বাস্থ্যসেবীর।




খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন