বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেছেন, বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং সুযোগগুলোকে কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা ও আলোচনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেব। সবকিছু যে দ্রুত ও সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে সমাধান করা সম্ভব- এমনটা ভাবার মতো সরলতা আমার নেই। এমন কিছু বিষয় থাকবেই যা অমীমাংসিত থেকে যাবে। আবার এমন কিছু বিষয়ও থাকতে পারে যার সমাধানের পথ খুঁজে পেতে সময় লাগবে। তবে তাই বলে যেখানেই সম্ভব, সেখানে পারস্পরিক ঐকমত্য বা অভিন্ন অবস্থান খুঁজে বের করার প্রচেষ্টা থেকে আমাদের বিরত থাকা উচিত নয়। আমি নিরন্তর সেই চেষ্টাই করে যাব। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
এর আগে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনের সমাপ্তি পর্ব এবং ৮১তম অধিবেশনের নবনির্বাচিত সভাপতি ড. খলিলুর রহমানের আনুষ্ঠানিক শপথ অনুষ্ঠিত হয়।
সাবেক পেশাদার কূটনীতিক খলিলুর রহমান কর্মজীবনের বড় অংশজুড়ে জেনেভা ও নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে বিভিন্ন সংস্থায় দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৯১ সালে জেনেভায় জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলনের (আঙ্কটাড) বিশেষ উপদেষ্টা হিসেবে যোগ দেন খলিলুর রহমান। এরপর ২৫ বছর নিউইয়র্ক ও জেনেভায় জাতিসংঘের বিভিন্ন জ্যেষ্ঠ পদে দায়িত্ব পালন করেন তিনি; ছিলেন জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রকাশনার প্রধান লেখক।
এর আগে ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রসচিব ও রাজনীতিবিদ হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী। রাজনীতিতে যোগদানের পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের ফাঁকে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি। পরে জাতীয় সংসদের স্পিকার হন হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী।
খুলনা গেজেট/এনএম

