বুধবার । ১৮ই মার্চ, ২০২৬ । ৪ঠা চৈত্র, ১৪৩২
সিসি টিভি ফুটেজ সংগ্রহ, আটক নেই

যুবদল কর্মী রাসু হত্যাকাণ্ডে যা জানা যাচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

খুলনার দৌলতপুর থানার যুবদল কর্মী রাশিকুল আনাম রাসু হত্যাকাণ্ডের দু’দিন অতিবাহিত হলেও জড়িত সন্দেহে পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি। মঙ্গলবার জোহরের নামাজের পর জানাজা শেষে মরদেহ দাফন করা হয়। এ ঘটনায় গতকাল রাত ৯টা পর্যন্ত থানায় মামলা হয়নি।

এদিকে মাদকের টাকার ভাগ বাটোয়ারা, বালু ব্যবসার বিরোধ ও স্থানীয় এক সন্ত্রাসীকে অস্ত্রসহ পুলিশের নিকট সোপর্দ করাকে কেন্দ্র করে রাসুকে হত্যা করা হতে পারে বলে ধারণা পুলিশের।

একাধিক গোয়েন্দা ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, যুবদল কর্মী রাসু হত্যা মিশনে অংশ নেয় তিনজন কিলার। তাদেরকে পুলিশ শনাক্ত করেছে। কিন্তু তদন্তের স্বার্থে তা প্রকাশ করছে না। তবে তদন্ত কার্যক্রম দু’টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। গত সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর দৌলতপুর থানাধীন কেডিএ কল্পতরু মার্কেটের সামনে রাসুকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে গতকাল মঙ্গলবার রাত ৯টা পর্যন্ত কোনো মামলা করা হয়নি। তবে রাতে মামলা হতে পারে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, দৌলতপুর থানাধীন কেডিএ কল্পতরু মার্কেট এলাকায় খুলনার একটি বিশেষ বাহিনীর প্রধানের সহযোগী মাদক কারবার করে। মাদক কারবারের বিষয়টি পুলিশ খতিয়ে দেখছে। তছাড়া বালু ব্যবসা ও এলাকার চিহ্নিত এক সন্ত্রাসীকে অস্ত্র সহ পুলিশের নিকট সোপর্দ করার ঘটনাটি নিয়েও পুলিশ কাজ করছে। রাসুকে গুলি করে হত্যার পর আশপাশের সিসি টিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। টিভি ফুটেজে দেখা গেছে, গুলি করার পর একটি মোটরসাইকেলে চড়ে ৩ যুবক ঘটনাস্থল খুব দ্রুত ত্যাগ করছে। তাদের সকলকে পুলিশ চেনে ও জানে বলে স্থানীয়রা জানায়।

দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: শফিকুল ইসলাম জানান, নিহত যুবদল কর্মী রাসুর বিরুদ্ধে ১১ টি রাজনৈতিক মামলার সন্ধান পাওয়া গেছে। হত্যাকাণ্ডের পর পরিবার থেকে থানায় এখনও পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের করেনি। কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। সিসি ফুটেজ দেখে আমরা বিভিন্নস্থানে অভিযান চালাচ্ছি। হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে প্রাথমিক একটি ধারণা আমরা পেয়েছি। তদন্তের স্বার্থে তা প্রকাশ করা সম্ভব নয়।

 

খুলনা গেজেট/এনএম




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন