মঙ্গলবার । ১৭ই মার্চ, ২০২৬ । ৩রা চৈত্র, ১৪৩২

ঈদে খুলনায় নতুন টাকা বিকিকিনির হাট

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঈদ মানে আনন্দ। আর সেই আনন্দের একটি বড় অংশ জুড়ে থাকে ঈদ সালামি। ছোটোভাই ও বোন আত্মীয়-স্বজন কিংবা সহকর্মীদের হাতে যদি তুলে দেওয়া হয় নতুন নোট, তাহলে আনন্দটা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এ চাহিদাকে ঘিরে খুলনা নগরীর বাংলাদেশ ব্যাংক মোড়ে বসেছে নতুন টাকার জমজমাট ব্যবসা।

ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে তত ব্যস্ত হয়ে পড়েছে টাকা ব্যবসায়ীরা। এখানে প্রায় ১০-১২ জন বিক্রেতা ছোট ছোট টেবিল সাজিয়ে বসেছেন। তাদের টেবিল জুড়ে থরে থরে সাজানো হয়েছে নতুন টাকার নোট। ১০, ২০, ৫০, ১০০ ও ৫০০ টাকার চকচকে বান্ডিল। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে কেউ কেউ নতুন টাকাগুলোকে ফুলের তোড়ার মতো সাজিয়ে রেখেছেন। দূর থেকে চোখে পড়ে এই ব্যতিক্রমী চিত্র। তবে এই নতুন টাকা পেতে হলে ক্রেতাদের গুণতে হচ্ছে অতিরিক্ত দাম। ৫ টাকার এবং ৫০০ টাকার ব্যান্ডেলে রোজার ঈদের সময় আড়াই থেকে ৫০০ টাকা বেশি দিয়ে কিনতে হচ্ছে।

নতুন নোট সংগ্রহ করতে আসেন মোজাহিদুর রহমান আসিফ। তিনি সরকারি চাকুরিজীবী। ঈদে বাচ্চাদের দেওয়ার জন্য নতুন টাকা নেওয়া। যাতে তারা আনন্দ ও খুশি হয়। নতুন ১০ টাকা নোটের দু’বান্ডিল নিতে তাকে অতিরিক্ত ৭০০ টাকা বেশি দিতে হয়েছে।

নতুন টাকা নেওয়ার জন্য শরণখোলা থেকে এসেছেন শরীফুল ইসলাম সাব্বির। তিনি বলেন, ‘নতুন টাকা নিয়েছি বাচ্চাদের দেওয়ার জন্য।’ সাড়ে তিন হাজার টাকা নিতে অতিরিক্ত পাঁচশ’ টাকা গুণতে হয়েছে তাকে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন বাড়তি টাকা নেওয়া অন্যায়, এটা দেখার কেউ নেই।

ব্যবসায়ী মোঃ ইলিয়াস বলেন, খুশির কারণে অনেকেই নতুন টাকা নেয়। সে হিসেবে আমরা বিক্রি করি। এক বান্ডিলে বেশি টাকা নেওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বেশি দাম দিয়ে আমরা বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে কিনে আনি। এক হাজার টাকার নোটে আমাদের দু’শ টাকা বেশি গুণতে হয়। তাই নতুন টাকার এক বান্ডিল বিক্রিতে ক্রেতাদের কাছ থেকে বেশি টাকা নিতে হয়।’

 

খুলনা গেজেট/এনএম




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন