মঙ্গলবার । ৫ই মে, ২০২৬ । ২২শে বৈশাখ, ১৪৩৩

চালনা পৌর নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াতসহ সাম্ভব্য ৫ প্রার্থী মাঠে

আজগর হোসেন ছাব্বির, দাকোপ

আসন্ন চালনা পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে সাম্ভব্য প্রার্থীদের গনসংযোগ ও প্রচার-প্রচারনা শুরু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত বিএনপির ২ জামায়াত ও জাপার ১ জন করে প্রার্থীসহ ৫ প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় এর বাইরে স্বতন্ত্র হিসেবে একাধীক প্রার্থী আসতে পারে এমন আভাষ পাওয়া যাচ্ছে।

এক সময়ের দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম চালনা বন্দর এলাকা নিয়ে পশুর নদী তীরে গঠিত চালনা পৌরসভা। নদীর নাব্যতা সংকটে বন্দরটি মংলায় স্থানান্তরিত হয়। কিন্তু দাকোপ উপজেলা সদর চালনা ইউনিয়নের গুরুত্ব মোটেও কমেনি। ২০০৪ সালের ১৩ নভেম্বর বৃহত্তর চালনা ইউনিয়নের শহর কেন্দ্রীক বৃহৎ অংশ নিয়ে গঠিত হয় চালনা পৌরসভা।

বর্তমানে পৌরসভাটি খ শ্রেনীতে উত্তীর্ণ হয়েছে। কিন্তু প্রতিষ্ঠার ১৭ বছরেও প্রত্যাশিত উন্নয়ন হয়নি। আওয়ামীলীগের দূর্গ হিসাবে খ্যাত এ পৌরসভায় অতীতে ভিন্ন রাজনৈতিক দলের কেউ কখনো মেয়র নির্বাচিত হননি। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় এবারের প্রেক্ষাপট একেবারেই ভিন্ন। সর্বশেষ গত ২৮ ডিসেম্বর’২০ অনুষ্ঠিত নির্বাচনে চালনা পৌরসভা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সনত কুমার বিশ্বাস মেয়র নির্বাচীত হয়েছিলেন।

নির্বাচন অফিসের তথ্য মতে পৌরসভায় মোট ভোটার সংখ্যা ১৩ হাজার ১৬৩ জন। এরমধ্যে পুরুষ ৬ হাজার ২৯১ এবং নারী ভোটার ৬ হাজার ৮৭২ জন। আসন্ন নির্বাচনে মেয়র পদে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসাবে মাঠে আছেন চালনা পৌরসভা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শেখ মোজাফ্ফার হোসেন এবং পৌরসভা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মোঃ আলামিন সানা। অপরদিকে সংসদের প্রধান বিরোধীদল জামায়াতে ইসলামী এবারই তারা প্রথমবারের মত দলীয় প্রার্থী দিচ্ছেন। মোঃ কামরুল হোসেন শেখকে তারা দলের একক মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে।

এছাড়া জাতীয় পার্টি থেকে খুলনা জেলা জাপার সাংগঠনিক সম্পাদক মামুনুর রশীদ নির্বাচনে প্রার্থী হবেন বলে জানিয়েছেন। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে আছেন অতীন মন্ডল। তবে শেষ মুহুর্তে ক্ষমতাসীন বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীর সংখ্যা যেমন বাড়তে পারে, তেমনি পরিবেশ এবং পরিস্থিতি অনুকুলে থাকলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামতে পারে আরো অনেকে এমন আভাষ পাওয়া গেছে।

 

খুলনা গেজেট/এনএম




খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন