সাবেক ছাত্রদল নেতা প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম জুয়েল সম্পর্কে মিথ্যাচারের প্রতিবাদ

গেজেট প্রতিবেদন

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক ছাত্রনেতা, প্রকৌশলীদের শীর্ষ সংগঠন আইইবি খুলনা কেন্দ্রের সম্মানী সম্পাদক এবং অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাব খুলনা শাখার সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম জুয়েলের বিরুদ্ধে সম্প্রতি কিছু মিডিয়ায় উদ্দেশ্যমূলক সিন্ডিকেটেড নিউজ প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সাবেক ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ সমন্বয় পরিষদ।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সাবেক ছাত্রদল নেতারা বলেন, খুলনা ওয়াসার ডিএমডি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে একটি কুচক্রী স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী কুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের মেধাবী ছাত্র জুয়েলকে বিতর্কিত ও অসম্মানিত করার হীন মানসে মিথ্যাচার শুরু করেছে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ভবন নির্মাণ ত্রুটির সামষ্টিক দায় এককভাবে তার ওপর চাপানোর চেষ্টা করা হয়েছে। অথচ তদন্ত রিপোর্টে প্রমাণিত, ছাদ ঢালাইয়ের সময় তিনি অসুস্থ স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে ছিলেন। তৎকালীন দুর্নীতিগ্রস্ত আওয়ামীপন্থি উপাচার্য ফায়েকুজ্জামান ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক আক্রোশে আজ্ঞাবহদের দিয়ে নতুন কমিটি করে জুয়েলকে দোষী দেখিয়ে রিপোর্ট দিয়ে অন্যায়ভাবে শাস্তি দেয়। তাকে অন্যায়ভাবে পদ নমিত রেখে তার অনেক জুনিয়রকে তার উপরে সিনিয়র পদে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া হয়।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিজিটাল হাজিরা মেশিনের ত্রুটির কারণে কর্তৃপক্ষ ৫৪ জনের কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি দেয়। পরবর্তীতে বায়োমেট্রিক ডিভাইসের প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা ও যান্ত্রিক ত্রুটির প্রমাণ মেলায় কর্তৃপক্ষ অফিস আদেশের মাধ্যমে উক্ত নোটিশটি সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করে নেন।

সাবেক ছাত্রনেতারা আরও বলেন, বিগত ১৭ বছর একটি কর্তৃত্ববাদী ফ্যাসিস্ট একদলীয় শাসন ব্যবস্থার অধীনে দেশের মানুষ চরমভাবে নিগৃহীত ও নিষ্পেষিত ছিল। জাতীয়তাবাদী আদর্শের পেশাজীবীরা সর্বোচ্চ জুলুম নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছে। ইঞ্জিনিয়ার জুয়েল ছিলেন সেই নিষ্পেষণের এক নির্মম উদাহরণ। মিথ্যা অভিযোগে অভিযুক্ত করে কর্মহীন বসিয়ে রেখে ও প্রমোশন বঞ্চিত করে তাকে সামাজিক, মানসিক, আর্থিক ও পারিবারিকভাবে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে। সেই চরম দু:সময়ের কালেও তিনি জাতীয়তাবাদী দল ও পেশাজীবী পরিষদের সকল কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে সশরীরে হাজির থেকেছেন।

বিবৃতিতে সাবেক ছাত্রদল নেতারা, অপতৎপরতা বন্ধের জন্য জোর দাবি জানান এবং এ সংক্রান্ত যে কোনো নিউজ প্রকাশের আগে সকল তথ্য ভালো ভাবে যাচাই বাছাই করে সত্যাসত্য প্রমাণের আহ্বান জানান। কোনো ঘটনার আংশিক প্রকাশ করে বাকি অংশ গোপন রাখাকে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা বলে না। বরং সেটি নীতি নৈতিকতা বিবর্জিত কাজ, যা সাংবাদিকতার মতো মহান পেশার সাথে সাংঘর্ষিক।

বিবৃতিদাতারা হলেন সাবেক ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ সমন্বয় পরিষদের আহ্বায়ক তারিকুল ইসলাম জহির, সদস্য সচিব আল জামাল ভূঁইয়া, আরিফ ইমতিয়াজ খান তুহিন, মোল্লা মারুফ রশিদ, নাজমুল হক মুকুল, সোহেল মাহমুদ, লতিফুর রহমান সোহাগ, খন্দকার হাসিনুল ইসলাম নিক, জাভেদ এলাহী, শরাফত আলী দুলু, খান মইনুল হাসান মিঠু, রবিউল ইসলাম বিপ্লব, আব্দুল্লাহ শাহনুর কবির অয়ন, আশরাফুল আলম এরিখ, তারিকুল ইসলাম তারিক, এহতেশামুল হক শাওন, আশরাফুল ইসলাম টুটুল, আজিজুল ইসলাম আজিজ, জসীমউদ্দিন লাবু প্রমুখ।




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন