গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে বিপাকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও স্বল্প আয়ের মানুষ

শাহরিয়ার মানিক

এলপি গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। হোটেল, রেস্টুরেন্টে ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীসহ স্বল্প আয়ের জনগোষ্ঠীর মাঝে বেড়েছে হতাশা ও অসন্তোষ।

ধর্মঘট প্রত্যাহার হলেও স্বস্তি ফেরেনি ভোক্তা পর্যায়ে। খুলনার শেখপাড়া তেঁতুলতলার হোটেল ব্যবসায়ী মোঃ জসিম গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে হতাশা প্রকাশ করে বলেন, “গত দু’দিন আগে ১২ কেজির সিলিন্ডার গ্যাস ১৩শ’ টাকায় কিনেছি। কিন্তু গতকাল বৃহস্পতিবার দোকানে গিয়ে দেখি ওই কোম্পানির গ্যাস নেই। অন্য কোম্পানির গ্যাস ১৫শ’ ৫০ টাকা দিয়ে কিনতে হয়েছে। এটা আমাদের মত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য অনেক কষ্টসাধ্য। এর দ্রুত সমাধান প্রয়োজন।”

গ্যাস কিনতে আসা মোটর শ্রমিক শফিকুর রহমান বলেন, “নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম হুটহাট বৃদ্ধি করলে আমাদের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়।”

এবিষয়ে রূপসা, তেরখাদা ও বটিয়াঘাটার ওমেরা কোম্পানির ডিলার সিফাত ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী আরাফাত হোসেন বলেন, “সরকার নির্ধারণ করে দিয়েছে ১২ কেজি সিলিন্ডার গ্যাস ১৩শ’ ৬ টাকায় বিক্রি করতে হবে। অথচ আমাদের কোম্পানির কাছ থেকে কিনতে হচ্ছে সরকার নির্ধারিত রেটে। মংলা বন্দর থেকে আমাদের এ পর্যন্ত পৌঁছাতে ২০টাকা এবং লোড আনলোডের জন্য ৬ টাকা মোট ২৬ টাকা খরচ রয়েছে। এরপর কর্মচারী, দোকান ভাড়া, খুচরা বিক্রেতাদের কাছে গ্যাস পৌঁছে দেওয়াসহ আনুষঙ্গিক কমপক্ষে আরও ৩০ টাকা খরচ রয়েছে। এখন বলুন আমরা কীভাবে সরকার নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস বিক্রি করবো।”

গ্যাস সংকটের বিষয়ে তিনি বলেন, “কোম্পানিগুলোর তিন মাস পূর্বে এলসি করার কথা থাকলেও তারা যথা সময়ে এলসি না করার কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। এখানে আমাদের করার কিছু নেই। আমার প্রতিদিনের চাহিদা রয়েছে ৫০০ বোতল অথচ এখন পাচ্ছি ২২০ বোতল এবং আগামী দু’দিন সাপ্লাই নেই বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।”

 

খুলনা গেজেট/এনএম




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন