খুলনার নির্বাচনী মাঠে মোবাইল কোর্টের নির্দেশনা পায়নি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

পথে পথে রঙিন পোস্টার। উপজেলা পর্যায়ের হাট-বাজার ও চায়ের দোকানগুলোতে শোভা পাচ্ছে প্যানা-ফেস্টুন। অনলাইন ও অফলাইনে প্রার্থীরা দোয়া চাচ্ছে। অতিউৎসাহী কর্মীরা লিফলেট বিলি করছে। দেওয়ালে এখনও সাঁটানো রয়েছে প্রার্থীর পোস্টার। আচরণবিধির ধারে কাছে নেই প্রশাসন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের অভিযোগ মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশ এখনও তারা পায়নি।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ রায়হানা ইসলাম বলেছেন, “তিনি খুলনা-৪ আসনের দায়িত্বে। উপজেলা গুলোতে সহকারি কমিশনার (ভূমি) দায়িত্ব পালন করছে। তাদের কাছে কোন দল বা ব্যক্তি এখনও অভিযোগ করেনি। ১৯ দিন আগে নির্বাচনী দায়িত্বের নিয়োগ পেলেও এখনও মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশনা পায়নি। পোস্টার ও প্যানা অপসারণ করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়, নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়, জেলা প্রশাসন ও অনলাইনে আচরণবিধি দেওয়া হয়েছে। সমর্থকদের বিষয়গুলো মেনে চলতে বলা হয়েছে।”

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে সালমা খানুন তথ্য দিয়েছেন, “বিধি মোতাবেক মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। রিটার্নিং অফিসার ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের পক্ষ থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশ এখনও আসেনি।”

গেল বছরের ২৪ ডিসেম্বর রিটার্নিং অফিসার ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আ স ম জামশেদ খোন্দকার জেলার ছয়টি আসনে ১৫ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে আচরণবিধি পালনের জন্য নিয়োগ দেন। তারা মোবাইল আইন অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

নিয়োগপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটরা হচ্ছেন, খুলনা-১ আসনে দীপেন সাধক রনি, মোঃ সেবগাতুল্যাহ ও মোঃ শোয়েব শাত-ঈল-ইভান। খুলনা-২ আসনে মোঃ আনোয়ার সাদাত, নাজমুস সাকিব ও প্রিয়াঙ্কা রাণী কুণ্ডু। খুলনা-৩ আসনে মেহেদী হাসান, ইমরান হাসান ও অপ্রতিম কুমার চক্রবর্ত্তী। খুলনা-৪ আসনে শেখ রায়হানা ইসলাম, মোঃ ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, রিয়াজ উদ্দীন আহম্মেদ, জান্নাতুল নাঈম ও এসএম নুরুন্নবী। খুলনা-৫ আসনে তৌহিদ রেজা, সাইফুন্নাহার, অমিত কুমার বিশ্বাস ও মোঃ আসাদুজ্জামান আরিফ। খুলনা-৬ আসনে মোঃ জাকারিয়া, মোঃ ফজলে রাব্বী, নাসিফ আল মাহদী ও রিজওয়ানুর রশিদ।

 

খুলনা গেজেট/এনএম




খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন