বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের সুযোগ এসেছে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে যে বা যারা যতটুকু আত্মত্যাগ করেছেন আমরা সবাই মিলে নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই। কিন্তু আমরা যদি শেখ হাসিনার দেখানো পথে এবং তার ভাষায় কথা বলি ও আচরণ করি। সেটা কিন্তু ফ্যাসিবাদ বিরোধী রাজনীতির অন্তরায় হিসেবে দেখা দেবে। আমরা নিশ্চয়ই সেই খারাপ দিনে ফিরতে চাই না। তাই আসুন সম্মিলিত ভাবে গণতন্ত্রের পক্ষের সকল শক্তি নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে আবারও হাতে হাত এবং কাঁধে কাঁধ মেলাই।
ছাত্র- জনতার ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান এবং ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পতনের দ্বিতীয় বর্ষ পূর্তি উপলক্ষ্যে যশোর জেলা বিএনপি আয়োজিত বর্ণাঢ্য র্যালি পূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। মুন্সী মেহেরুল্লাহ ময়দান থেকে শুরু হওয়া র্যালিটির নেতৃত্ব দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম।
তিনি বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে বিএনপির নেতাকর্মী রক্ত জীবন দিয়েছেন। বিএনপি নেতাকর্মীরা বারংবার কারাবরণ করেছেন। তারপরও দীর্ঘ লড়াইয়ে দলের একজন নেতাকর্মীও ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ও তার পেটুয়া বাহিনীর সাথে আপোশ করেননি। নিজের পরিচয় গোপন করে পর্দার আড়ালে লুকিয়ে যাননি। আমাদের ত্যাগ, শ্রম এবং রক্ত ও আত্মদানের মাধ্যমে যে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সুযোগ এসেছে তার দায় বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর সবচেয়ে বেশি। সেই সুযোগ নষ্ট করার জন্য দেশি বিদেশি ষড়যন্ত্র আজও চলমান। তাই সর্তকতায় আমাদের পা ফেলতে হবে।
পরে মুন্সী মেহেরুল্লাহ ময়দান থেকে র্যালি রের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মনিহার এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম, মুনির আহমেদ সিদ্দিকী বাচ্চু, সাবেক সহসভাপতি গোলাম রেজা দুলু, সাবেক সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য মিজানুর রহমান খান, এ কে শরফুদ্দৌলা ছোটলু, অ্যাড. হাজী আনিসুর রহমান মুকুল, সিরাজুল ইসলাম, নগর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম চৌধুরী মুল্লুক চাঁদ, সাধারণ সম্পাদক এহসানুল হক সেতু প্রমুখ।
খুলনা গেজেট/এএজে

