যশোরে প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে জিতু (৩৫) নামে পুলিশের তালিকাভুক্ত এক সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। বুধবার গভীর রাতে শহরের বারান্দীপাড়া ফুলতলা মোড়ে তিনি হামলার শিকার হন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে বৃহস্পতিবার সকালে নড়াইলের তুলারামপুর এলাকায় তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পুলিশ সুমন মিয়া নামে একজনকে আটক করেছে। নিহত জিতু যশোর শহরের বারান্দীপাড়া মোল্লাপাড়ার সিরাজুল ইসলামের ছেলে।
যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিরাজুল ইসলাম বলেন, বুধবার রাতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশ বারান্দীপাড়া ফুলতলা মোড় এলাকা থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় জিতুকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। তাকে সন্ত্রাসীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। হাসপাতালে তার অবস্থার অবনতি হলে রাতেই কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকায় রেফার করেন। বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকায় নেবার পথে নড়াইলের তুলারামপুর এলাকায় পৌঁছালে তাঁর মৃত্যু হয়।
পুলিশ জানায়, জিতুর বিরুদ্ধে মাদক, অস্ত্র ও চাঁদাবাজিসহ ১৪টি মামলা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাদক সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় তিনি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে সুমন মিয়া নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধেও ১১টি মামলা রয়েছে। হত্যার ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এদিকে, জিতুর স্বজনরা হত্যার কারণ সম্পর্কে কিছু জানাতে পারেননি। তবে তাঁরা হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
খুলনা গেজেট/এনএম

