বর্তমানে বাংলাদেশ দলের ৪ পেসারসহ এক ব্যাটার ইনজুরিতে ভুগছেন। তাদের চোট অস্ট্রেলিয়া সফরের আগে বাংলাদেশের কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। তাদের সবশেষ অবস্থা নিয়ে তথ্য দিয়েছে বিসিবির মেডিকেল বিভাগ।
গতি তারকা নাহিদ রানা গ্রেড-২ সাইড স্ট্রেইনের শিকার। তিনি অস্ট্রেলিয়া সফর থেকে বাদ পড়েছেন। বিসিবি জানিয়েছে, ‘টিস্যু সুস্থ হতে তার প্রায় চার সপ্তাহের মতো সময় লাগবে। এরপর বোলিংয়ের ওয়ার্কলোড বাড়ানোর জন্য আরও দুই থেকে চার সপ্তাহ সময়ের প্রয়োজন হবে। চোট পাওয়ার দিন থেকে হিসেব করলে তার সেরে উঠতে মোট ছয় থেকে আট সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।’
জিম্বাবুয়ে সফরে বাম পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে গ্রেড-১ চোট পান আরেক পেসার শরিফুল ইসলাম। মেডিকেল বিভাগ জানিয়েছে, ‘আগামী ২৯ জুলাই থেকে সে পুনরায় বোলিং শুরু করবে এবং ১২ আগস্টের দিকে ফিটনেস পরীক্ষা করা হবে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে তার খেলার সম্ভাবনা কম হলেও বোলিং ওয়ার্কলোড সফলভাবে শেষ করা ও চিকিৎসকদের ছাড়পত্র পাওয়ার সাপেক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের জন্য বিবেচিত হতে পারে।’
অধিনায়ক লিটন দাসের বাম পায়ের পেশির চোট নিয়ে তারা জানিয়েছে, ‘সিঙ্গাপুরে একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়ার পর গতকাল তার পিআরপি (প্লেটলেট-রিচ প্লাজমা) থেরাপি দেওয়া হয়েছে। আগামী ২৮ জুলাই থেকে তার রানিং ও কন্ডিশনিং কার্যক্রম শুরু করার কথা রয়েছে এবং ১৩ আগস্ট নাগাদ একটি ফিটনেস অ্যাসেসমেন্ট পরিকল্পনা করা হয়েছে। পুনর্বাসন প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন করে ফিটনেস ক্লিয়ারেন্স পেলে দ্বিতীয় টেস্ট থেকে তিনি দলে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে।’
এদিকে দীর্ঘদিন ধরে চোটের সাথে লড়াই করছেন পেসার তানজিম হাসান সাকিব। বোর্ড জানায়, ‘হাড়ের ফ্র্যাকচার কতটা সেরে উঠেছে তার ওপর ভিত্তি করে মাঠে ফেরার সময়সীমা নির্ধারিত হবে, তবে ধারণা করা হচ্ছে চলতি বছরের শেষের দিকে তিনি খেলার জন্য প্রস্তুত হতে পারেন।’
জিম্বাবুয়ে সফরে চোট পাওয়া মুস্তাফিজুর রহমানকে নিয়ে জানানো হয়েছে, ‘ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিং ও কাফ ইনজুরি থেকে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছেন মুস্তাফিজুর রহমান। এই বাঁহাতি পেসার প্রতিদিন রিহ্যাব করছেন এবং চলতি জুলাই মাসের শেষের দিকে তার ফিটনেস পরীক্ষা নেওয়ার কথা রয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী বোলিং অনুশীলনে অগ্রগতি হলে আগামী ১৮ আগস্টের পর তিনি পুরোপুরি সিলেকশনের জন্য ফিট হয়ে উঠবেন বলে আশা করা হচ্ছে।’
খুলনা গেজেট/রুএ

