যশোরের মণিরামপুরের পল্লীতে নাতনিকে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় নানাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার রোহিতা ইউনিয়নের শরমপুর গ্রামে। নিহত ইমামুল হোসেন ঝিকরগাছা উপজেলার ফারাসতপুর গ্রামের মৃত রহিম সরদারের ছেলে। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিলেন।
স্বজনদের অভিযোগ, নাতনিকে নিয়মিত ইভটিজিং করছিল একদল যুবক। এর প্রতিবাদ করায় তাদের সঙ্গে শত্রুতা সৃষ্টি হয় ইমামুল হোসেনের। সেই সূত্র ধরেই এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করা হয়। তারা জানান, সোমবার দুপুরে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে নাতনিকে ফের ইভটিজিং করে স্থানীয় কতিপয় যুবক। বিষয়টি জানতে পেরে সন্ধ্যায় ইমামুল ওই যুবকদের ডেকে বকাঝকা করে। এরপর রাত ৯টার দিকে স্থানীয় রবিউল (৪০), হোসাইন (২৫), রাকিব (২০), মেহেদী (২২) ও রাব্বির (১৮) নেতৃত্ব তার ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়। এ সময় তারা ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা দিয়ে ইমামুল হোসেনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। স্থানীয়রা ও স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রাহুল দেব ঘোষ জানান, তার ডান পাশের পিঠে গুরুতর আঘাতের কারণে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। এ কারণে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এ বিষয়ে মণিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু সাইদ বলেন, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। হামলাকারীদের চিহিৃত করা হয়েছে। তাদের আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
খুলনা গেজেট/এনএম

