ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিকে ঘিরে নতুন করে ষড়যন্ত্র এবং ব্যাংক লুটপাটকারী এস আলম ও সংশ্লিষ্টদের ব্যাংকিং খাতে পুনর্বাসনের চেষ্টার প্রতিবাদে খুলনায় মানববন্ধন ও স্মারকলিপি কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
রোববার সকালে নগরীর ডাকবাংলো মোড়ে অবস্থিত ইসলামী ব্যাংক খুলনা শাখার সামনে ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক সমন্বয় পরিষদ খুলনার উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। পরে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন ডুমুরিয়া উপজেলার রুদাঘরা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক অধ্যাপক জি এম আমান উল্লাহ।
এসময় বক্তব্য দেন খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট শেখ জাকিরুল ইসলাম, এস এম এ রব শপিং কমপ্লেক্সের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর কাদের পাটোয়ারী, ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন, পাট ব্যবসায়ী গাজী শরিফুল ইসলাম অহিদ, খালিশপুর দোকান মালিক সমিতির সেক্রেটারি মুহিব্বুর রসুলসহ আরও অনেকে।
বক্তারা বলেন, ইসলামী ব্যাংক কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সম্পত্তি নয়। এটি দেশের কোটি কোটি গ্রাহক, আমানতকারী, উদ্যোক্তা ও রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের আস্থার প্রতিষ্ঠান। তারা ব্যাংক লুটেরাদের পুনর্বাসন প্রতিরোধ, পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা, দ্রুত বিচার ও ব্যাংকিং খাতে সংস্কারসহ ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
পরে তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন।
খুলনায় ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক সমন্বয় পরিষদের উদ্যোগে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি কর্মসূচি পালিত হয়েছে। বক্তারা এস আলমসহ ব্যাংক লুটপাটের সঙ্গে জড়িতদের পুনর্বাসনের চেষ্টার প্রতিবাদ জানিয়ে ব্যাংকিং খাতে সংস্কার ও লুট হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারের দাবি জানান।
রোববার সকালে খুলনা নগরীর ডাকবাংলো মোড়ে ইসলামী ব্যাংক খুলনা শাখার সামনে জড়ো হন ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। তারা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে মানববন্ধনে অংশ নেন। বক্তারা অভিযোগ করেন, অতীতে সংঘটিত ব্যাংক লুটপাটের সঙ্গে জড়িতদের পুনরায় ব্যাংকিং খাতে সক্রিয় করার চেষ্টা চলছে। এর প্রতিবাদ জানিয়ে তারা ৭ দফা দাবি তুলে ধরেন এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে স্মারকলিপি পেশ করেন।
খুলনা গেজেট/এনএম

