যশোরে সকালের আকাশে উড়লো একঝাঁক সাদা কবুতর ও রঙিন ফেস্টুন। সেই রঙিন ছটায় বিচার প্রার্থী সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা আরও দৃঢ় হলো। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে যশোরে উদযাপিত হয়েছে ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস’।
দিনের শুরুতেই যশোর জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে কবুতর ও বেলুন উড়িয়ে দিবসের সূচনা করেন সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ এবং জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান মাহমুদা খানম। উদ্বোধনের পরই শুরু হয় বর্ণাঢ্য র্যালি।
শহরের আইনজীবী ভবন মোড় ও দড়াটানা মোড় প্রদক্ষিণ করে র্যালিটি জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আলোচনা সভায় মিলিত হয়। র্যালিতে বিচারক, আইনজীবী ও নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। প্রত্যেকের কণ্ঠেই ছিল প্রান্তিক মানুষের ন্যায় বিচার নিশ্চিতের অঙ্গীকার।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ডক্টর আতিয়ার রহমান, স্পেশাল জজ এস এম নূরুল ইসলাম, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জাহিদ আহমদ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইরুফা সুলতানা, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার ও সিনিয়র সহকারী জজ নিলুফার ইয়াসমিন, সিনিয়র সহকারী জজ নিশাত সুলতানা, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও পিপি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক এম এ গফুর, সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম, মোহাম্মদ ইসহক, দেবাশীষ দাস ও কাজী ফরিদুল ইসলাম, ব্লাস্ট যশোরের সমন্বয়ক হুমায়ুন কবির, জুলাই বিপ্লবের শহীদ সোহানুর রহমান শিহাবের পিতা হোসেন লালটু এবং বিচারপ্রার্থী সেলিনা আক্তার তুলি কর্মসূচিতে অংশ নেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সহকারী জজ চয়নবালা ও বৈশাখী রাণী কর্মকার।
বক্তারা বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, সব বিষয়ে আদালত পর্যন্ত দৌড়ানোর প্রয়োজন নেই। আলাপ-আলোচনা আর সমঝোতার মাধ্যমে দ্রুত সমাধান সম্ভব হলে ভোগান্তি কমে এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় থাকে।
খুলনা গেজেট/এনএম

