যশোরে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপি নেতার সন্ত্রাসী বাহিনী বাড়ি ভাঙচুর, ফসল লুট এবং গাছপালা কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) যশোর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে কেশবপুর উপজেলার চাঁদড়া গ্রামের নূর ইসলাম এসব অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, কেশবপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম তার কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত ১৫ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আবুল কাশেমের নেতৃত্বে ৫০–৬০ জন সশস্ত্র লোক তার বাড়িতে হামলা চালায়।
তিনি অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা তার বসতঘর ভাঙচুর করে এবং দুই বিঘা জমির সরিষা ক্ষেত কেটে আলমসাধু ও ভ্যানযোগে লুট করে নিয়ে যায়। এছাড়া বসতভিটার আশপাশে লাগানো ১০টি শিশু গাছ, ৫টি মেহগনি গাছ, ১০টি নারিকেল গাছ এবং প্রায় ১০০টি বাঁশ কেটে নিয়ে যায়। এতে তার আনুমানিক ৫ থেকে ৬ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
নূর ইসলাম আরও অভিযোগ করেন, বাধা দিতে গেলে আবুল কাশেম ও তার সহযোগীরা পরিবারের নারী সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। এতে ১০–১২ জন নারী আহত হন। গুরুতর আহত দুই নারীকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তদের ভয়ে পরিবার নিয়ে এলাকা ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান তিনি। বর্তমানে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ভুক্তভোগী নূর ইসলামের পুত্রবধূ নার্গিস বেগম, ভাই মুনতাজ, ভাইয়ের স্ত্রী কমলা এবং মুনতাজের পুত্রবধূ মৌসুমী।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা আবুল কাশেমের মোবাইল নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

