বেনাপোলে বাছুরসহ গরু জবাইয়ের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে দুই কসাইকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে পৌরসভা। একই সঙ্গে জব্দ করা মাংস বাজেয়াপ্ত করে পরবর্তীতে নষ্ট করা হয়।মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে অভিযান চালিয়ে আলম কসাই ও মানিক কসাইকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন বেনাপোল পৌরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর রাশেদা খাতুন। তিনি জানান, বাছুরসহ গরু জবাই আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
তবে অভিযানের পরপরই ঘটনাটি নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এলাকাবাসীর একাংশ প্রশ্ন তুলেছে— এই অপরাধের দায় এককভাবে কসাইদের নয়। তাদের অভিযোগ, পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত মহিলা স্যানিটারি অফিসার রাশেদা খাতুনের অনুমতি নিয়েই এসব পশু জবাই করা হয়ে থাকে।
স্থানীয়দের দাবি, প্রতিদিন টাকার বিনিময়ে অসুস্থ ও রুগ্ণ গরু জবাইয়ের অনুমতি দেওয়া হয়। অথচ নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি পশু পরীক্ষা করে তবেই জবাইয়ের অনুমতি দেওয়ার দায়িত্ব স্যানিটারি অফিসারের।
অভিযোগকারীদের বক্তব্য, যদি সঠিকভাবে পশু পরীক্ষা করা হতো, তাহলে বাছুরসহ বা অসুস্থ গরু জবাইয়ের সুযোগই থাকত না। তাই এ ঘটনায় শুধু কসাই নয়, দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট স্যানিটারি অফিসারের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সচেতন মহলের দাবি, জনস্বাস্থ্য রক্ষায় পুরো প্রক্রিয়ার স্বচ্ছ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
বেনাপোল পৌরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর রাশেদা খাতুন বলেন, বাছুরসহ গরু জবাইকারী কসাইদের জরিমানা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এমন কাজ না করার জন্য তাদের সতর্ক করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, তাকে নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সত্য নয়।
খুলনা গেজেট/এএজে



