‘সম্প্রীতি যাত্রা’র চোখে বৃহত্তর খুলনার পূজা মণ্ডপগুলো মাঝারি ঝুঁকিতে

নিজস্ব প্রতিবেদক

মহলয়ার মধ্য দিয়ে গত রবিবার থেকে দুর্গা দেবীর আগমনী বার্তা পৌঁছে গেছে হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘরে ঘরে। দিনের শুরুতেই মন্দিরে মন্দিরে চন্ডী পাঠের মধ্য দিয়ে দুর্গার আহ্বান করা হয়। পূজার ক্ষণগণনা শুরু হয়েছে। এ আগমনী বার্তায় সম্প্রীতি যাত্রা নামক সামাজিক প্লাটফর্মের ঘোষণা বৃহত্তর খুলনার মন্ডপগুলো মাঝারি ঝুঁকিপুর্ণ।

মণ্ডপের সংখ্যা জেলায় এক হাজার ৩১৬টি আয়োজন চলছে। আগামী রবিবার ষষ্ঠির মধ্য দিয়ে সূচনা হবে।

জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির ভাষ্য অনুযায়ী মণ্ডপগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারি শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসন মণ্ডপগুলোতে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক করেছে। যেসব স্থানে স্থায়ীভাবে রয়েছে তাদেরকে সচল করতে বলা হয়েছে।

সম্প্রতি যাত্রা নামক সামাজিক প্লাটফর্মের মুখপাত্র, গবেষক মাহা মির্জা উল্লেখ করেন সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাটের ম-পগুলো মাঝারি ঝুঁকিতে। এ সংগঠনের পক্ষ থেকে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা গুরুত্বারোপ করা হয়। একই ভাষ্য কবি ফেরদাউস আরা রুমি ও সাংবাদিক রহমান মুফিজের।

খুলনা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তৌফিকুর রহমান জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় উল্লেখ করেন, উৎসব শান্তিপুর্ণ করতে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েন থাকবে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান এ সভায় উল্লেখ করেন, দুর্গোৎসবের পাঁচদিন আইন-শৃঙ্খলা বৃদ্ধি করা হবে। র‌্যাবের এ্যাডজুটেনন্ট সৈয়দ ফজলুর রহমান এ সভায় উল্লেখ করেন, মণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। অপতৎপরতাসহ মাদকের ব্যবহার প্রতিরোধে অতিরিক্ত টহল ও গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদার করা হবে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলখানা ঘাট, চরেরহাট, রেলিগেটস্থ নগরঘাট, দৌলতপুর লঞ্চঘাট ও দৌলতপুর দধি বামনঘাট বিসর্জনের স্থান চুড়ান্ত হয়েছে।

 

খুলনা গেজেট/এনএম




খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন