শুক্রবার । ২৪শে এপ্রিল, ২০২৬ । ১১ই বৈশাখ, ১৪৩৩

সুন্দরবনে ৫ দিনে হরিণসহ ১০০টি মৃত প্রাণী উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে সুন্দরবনে বন্যপ্রাণীর মৃতের সংখ্যা বাড়ছেই। সুন্দরবনের বিভিন্ন স্থান থেকে মিলছে হরিণ এবং শূকরের মৃতদেহ। বৃহস্পতিবার (৩০ মে) রাত পর্যন্ত সুন্দরবন থেকে সুন্দরবনে ১০০টি বন্যপ্রাণীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

খুলনা অঞ্চলের বনসংরক্ষক মিহির কুমার দো এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, রেমালের আঘাতে সুন্দরবনের পূর্ব ও পশ্চিম বন বিভাগের ফরেস্ট স্টেশন অফিস, ক্যাম্প ও ওয়াচ টাওয়ারের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বনের ভেতরে বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য যোগাযোগের মাধ্যম ওয়্যারলেস টাওয়ারও। মিষ্টি পানির পুকুর নিমজ্জিত হয়েছে লবণাক্ত পানিতে। প্রাণ গেছে বন্যপ্রাণীর। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য মোতাবেক সুন্দরবন তে ৯৬ টি মৃত হরিণ ও চারটি মৃত বন্য শুকর এর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি ১৮ টি জীবিত হরিণ এবং একটি জীবিত অজগর সাপ উদ্ধার করে বনে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

খুলনা অঞ্চলের বনসংরক্ষক মিহির কুমার দো বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে আজ বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত ৯৬টি হরিণ এবং চারটি শূকর মিলিয়ে সুন্দরবনের ১০০টি বণ্যপ্রাণীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত হরিণগুলো সুন্দরবনের অভয়ারণ্য এলাকায় মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ভেসে আসা ১৮টি হরিণ এবং একটি অজগর সাপ উদ্ধার করা হয়। যা বনে অবমুক্ত করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে দফায় দফায় উচ্চ জোয়ারে সুন্দরবনের সব নদী-খাল উপচে বনের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়ে। জোয়ারের পানি সুন্দরবনের গহিনে উঠে যাওয়ায় হরিণগুলো সাঁতরে কূলে উঠতে না পেরে মারা গেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। বনের অবকাঠামো বিধ্বস্ত হয়ে যাওয়াসহ অন্যান্য ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক পরিমাণ ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকার ওপরে হবে।




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন