অ্যাডিলেড একাডেমির দেওয়া ১৬৫ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ এইচপির হয়ে একাই লড়াই লড়েছেন আরিফুল ইসলাম। তবে তার ব্যক্তিগত ৬৬ রান শেষ পর্যন্ত দলকে জেতাতে পারেনি। শেষদিকে কিছুটা আশা জাগালেও ৮ বলের ব্যবধানে ৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় এইচপি। অ্যাডিলেড ২১ রানে জিতেছে।
টুর্নামেন্টের প্রথম তিন ম্যাচে জয়ের পর চতুর্থ ম্যাচে এসে প্রথম হারের স্বাদ পেল এইচপি। ইনিংসের প্রথম বলেই জিসান আলমের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে টাইগাররা। আরিফুল একপ্রান্তে হাল ধরলেও তাকে সঙ্গ দিতে পারেননি সাব্বির রহমান এবং অধিনায়ক ইরফান শুক্কুরও। সাব্বির ৮ বলে ৫ ও ইরফান ৭ বলে ৫ রান করে আউট হন। ১৭ রানের ব্যবধানেই ৩ উইকেট হারিয়ে আবারও চাপে পড়ে বাংলাদেশ।
পঞ্চম উইকেটে আরিফুলের সঙ্গে জুটি গড়েন শামীম হোসেন পাটোয়ারী। পরে ১৮ বলে ১৮ রান করে ফেরেন তিনি। ব্যাটিং ধ্বস নামলে মাত্র ৮ বলের ব্যবধানেই ৫ উইকেট হারায় এইচপি। সেই বিপর্যয় ঠেকাতে পারেননি কেউই। ১৪৩ রানেই শেষ হয় বাংলাদেশ এইচপির ইনিংস। এর আগে ডারউইনের মারারা ওভালে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে অ্যাডিলেড উদ্বোধনী জুটিতে ৩৪ রান তোলে। চতুর্থ ওভারে ওপেনার কন্নর ক্যারলকে বোল্ড করে এই জুটি ভাঙেন মিস্ট্রি স্পিনার রুবেল। এক ওভার পরেই জের্সিস ওয়াদিয়াকে বোল্ড করেন আবু হায়দার রনি। এরপর বাংলাদেশ এইচপির বোলারদের দাপটের মাঝেও এক প্রান্ত আগলে রাখেন হেনরি হান্ট। ২৯ বলে ৩৫ রান করেন তিনি।
শেষদিকে আর কোনো ব্যাটার থিতু হতে না পারলে ১৬৪ রানেই থামতে হয় অ্যাডিলেডকে। বাংলাদেশ এইচপির হয়ে আবদুল গাফফার সাকলাইন ৪টি, রুবেল ৩টি এবং রনি ও রাকিবুল একটি করে উইকেট নেন।
খুলনা গেজেট/এএজে

