ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২০ জনে দাঁড়িয়েছে। শনিবার ভোরে দেশটির ফ্লোরেস দ্বীপের উপকূলে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। সুনামি সতর্কতা জারি করা হলেও পরে তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।
ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার ভোর ৫ টা ৫৮ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর কেন্দ্রস্থল ছিল পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের এন্ডে শহর থেকে প্রায় ৬৮ কিলোমিটার উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমে। এর গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার।
প্রথম ভূমিকম্পের আধা ঘণ্টার মধ্যে তিনটি আফটারশক অনুভূত হয়, যেগুলোর মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৫ দশমিক ৯, ৫ দশমিক ৬ ও ৬ দশমিক ১। আগামী কয়েক দিন আরও কম্পন হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন কর্মকর্তারা।
এতে দ্বীপটির কয়েকটি ভবন ধসে পড়ে এবং বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মাউমেরে শহরের অনুসন্ধান ও উদ্ধার বিভাগের প্রধান ফাথুর রহমান জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ২০ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপে আরো জীবিত বা নিহত ব্যক্তিদের সন্ধান চালাচ্ছেন।
ইন্দোনেশিয়ার ভূমিকম্প ও সুনামি-বিষয়ক কর্মকর্তারা জানান, ১৯৯২ সালে একই এলাকায় ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। এবারের ভূমিকম্পের পর সুনামি সতর্কতা জারি করা হলেও পরে তা প্রত্যাহার করা হয়।
প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থিত ইন্দোনেশিয়ায় প্রায়ই শক্তিশালী ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে।
সূত্র: নিউ ইয়র্ক টাইমস
খুলনা গেজেট/এনএম

