‘পাপে ছাড়ে না বাপকেও।’ বিলম্বে হলেও পাপের প্রায়শ্চিত্ত হবেই হবে। মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনের ভাগ্যে তাই-ই হয়েছে। দীর্ঘ ৪৫ বছর পর এই ভয়ংকর খুনি ধরা পড়লো। ১৯৮১ থেকে ২০২৬ দীর্ঘ ৪৫ বছর অর্থাৎ অর্ধশতাব্দী প্রায় কেটে গেছে। চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে এক নম্বর কক্ষে স্বাধীন বাংলাদেশের রূপকার প্রেসিডেন্ট জিয়ার ঘাতকদের অন্যতম এই মেজর (অব.) মুজাফফর। এই কুখ্যাত খুনি মেজর মুজাফফর পাক্কা ইন্ডিয়ান ‘র’ এর লোক। ইন্ডিয়ান এজেন্টরা বাস্তবায়নকারী পুরোনো দাগি খুনি। পেছনের দিকে তাকাই। ১৯৭২ সালে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে শেখ মুজিব ক্ষমতায়। ই
ন্ডিয়ার পরামর্শে কুখ্যাত স্বৈরশাসক শেখ মুজিব ভিন্নমত দমনের জন্য যখন রক্ষী বাহিনী তৈরি করেছিলেন, সেই রক্ষী বাহিনীর লোক, এই মুজাফফর হোসেন। সবাই অবগত আছেন রক্ষী বাহিনী বাংলাদেশে এমন জুলুম নির্যাতন চালিয়েছিল, যেকোনো কারণে ভিন্নমতের রাজনৈতিক নেতা ও তরুণদের ধরে নিয়ে ক্রসফায়ার দেওয়া এবং হত্যা করা ছিল তাদের নেশা। স্বৈরশাসক শেখ মুজিব তার শাসন পাকাপোক্ত করার জন্য এ কাজটি করেছিলেন।
১৯৭৫ এর ১৫ই আগস্ট শেখ মুজিব পতনের পর রক্ষী বাহিনীকে সেনাবাহিনীর সাথে আত্মীকরণ করা হয়। সেই সময় এই দানব ভয়ংকর খুনি মোজাফফর সেনাবাহিনীতে ঢুকে পড়ে এবং সেই প্রেসিডেন্ট জিয়া হত্যার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড। শেখ মুজিব আমলে ‘র’ এর ট্রেনিং প্রাপ্ত এই মুজাফফর ছদ্মবেশে আর্মিতে অঙ্গীভূত হয়। ভারতের সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রাখে। ভারতের ‘র’ এর প্রোডাক্ট হিসেবে সে কখনো প্রেসিডেন্ট জিয়ার শাসনকে ভালো চোখে দেখে নাই। কতিপয় বিপথগামী সেনা কর্মকর্তার সে ছিল একজন।
চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস ট্র্যাজেডির কাহিনি আমরা সবাই জানি। প্রেসিডেন্ট জিয়াকে সরাসরি গুলি করার অন্যতম অভিযুক্ত ব্যক্তি এই মেজর মোজাফফর। প্রেসিডেন্ট জিয়ার শাহাদাত বরণের পর সংক্ষিপ্ত কোর্ট মার্শালে ১৩ জনের ফাঁসি দেওয়া হয়। দু’জন পলাতক থাকেন। একজন মেজর মোজাফফর, অন্যজন ক্যাপ্টেন খালেদ। এদের জন্য পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। এরা আত্মগোপনে ছিল। অবশেষে ৪৫ বছর পর গর্ত থেকে তাকে উঠিয়ে আনা হলো।
এই কুখ্যাত খুনি মোজাফফর সম্প্রতি বনানীতে সংরক্ষিত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন বাংলাদেশের গোয়েন্দা পুলিশের হাতে। বড়ই রহস্যজনকভাবে।
একটু পিছনে ফিরে তাকাই। ১৯৮১ সালের ৩০ শে মে ভোরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের এক নম্বর কক্ষে আকস্মিকভাবে হানা দিয়ে বাংলাদেশের রূপকার তৎকালীন জনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে গুলি করে যে ঘাতকরা প্রেসিডেন্ট এর উপর হামলা নৃশংসভাবে হত্যা করেছিল, তার অন্যতম এই কুলাঙ্গার মেজর মোজাফফর।
সংক্ষিপ্ত ঘটনা। স্বাধীনতার ঘোষক, স্বাধীন বাংলাদেশের রূপকার, বাংলাদেশের সংগঠকদের অন্যতম প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৮১ সালের ২৯শে মে সরকারি সফরে চট্টগ্রামে যান। রাতে চট্টগ্রামে সার্কিট হাউজে বিশ্রাম নেন। সেখানে বিএনপি দুটি পক্ষের মধ্যে বনি বনার ঘটতি জন্য গিয়েছিলেন সালিশ মীমাংসার জন্য। ২৯ মে দিবাগত রাত্রে, ৩০শে মে প্রত্যুষে বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো এই কুখ্যাত খুনি মোজাফফর তার কতিপয় স্যাংঘাতদের নিয়ে রেসিডেন্টের উপর হামলা চালায়। তার সাথে সহযোগী হিসেবে ছিল ক্যাপ্টেন মোসলেম উদ্দিন। দু’জনই প্রেসিডেন্ট জিয়ার মুখোমুখি হন। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী পিছনে দাঁড়িয়ে থাকা কর্নেল মতি কালক্ষেপণ না করে প্রথম প্রেসিডেন্ট জিয়াকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করেন। কর্নেল মতির ম্যাগাজিনে যত গুলি ছিল সবগুলি প্রেসিডেন্ট এর উপর প্রয়োগ করে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়। খুনি মোজাফফর সক্রিয়ভাবে একই সাথে গুলিবর্ষণ করে।
মেজর মোজাফফর হোসেন জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ড সম্পন্ন করে চট্টগ্রাম অঞ্চলের চব্বিশ পদাতিক ডিভিশনের জেওসি মেজর জেনারেল আবুল মনজুর কে দম্ভ ভরে জানান, “ঞযব ঢ়ৎবংরফবহঃ যধং নববহ শরষষবফ.” – প্রেসিডেন্ট জিয়াকে হত্যা করা হয়েছে।
সকালে চট্টগ্রাম এলাকা থমথমে সারাদেশে খবরটি রটে যায়। তখন এই মোজাফফর গংরা প্রেসিডেন্ট জিয়ার লাশ গায়েব করে দিতে চায়। সকাল আটটার দিকে প্রেসিডেন্ট জিয়ার মৃতদেহ গুম করার দায়িত্ব নিয়ে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ থেকে লাশ সরিয়ে ফেলে। পাহাড় ঘেরা চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর পাশে একটি কবর খুঁড়ে ত্রিফল দিয়ে ঢেকে সেখানে প্রেসিডেন্ট জিয়ার লাশের কবর দিয়ে গুম করতে চেয়েছিল। পরে খোঁজাখুঁজি করে লাশ উদ্ধার করা হয়। এই দুর্ধর্ষ মেজর মুজাফফরের নেতৃত্বে এ ধরনের বর্বরোচিত ঘটনা ঘটানো হয়। মোজাফফরের নেতৃত্বে সবকিছু সমাধানের পর পলাতক হন মেজর মুজাফ্ফার এবং তার দোসর ক্যাপ্টেন খালেদ।
সারাদেশ শোকে আচ্ছন্ন ঐদিন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিচারপতি আব্দুস সাত্তার সাংবিধানিক শূন্যতা নিরসনের জন্য দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। দুঃখজনক হলেও অপ্রিয় সত্য, শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালের ১৭ই মে প্রেসিডেন্ট জিয়ার আন্তরিক দাক্ষিণ্য ও আনুকূল্য পেয়ে ১৯৭৫ সালে মধ্য আগষ্টে পিতার মৃত্যুর পর এই প্রথম দেশে আসেন। তারই মাত্র ১৩ দিনের মাথায় প্রেসিডেন্ট জিয়া নৃশংস নির্মমভাবে নিহত হন। শেখ হাসিনা প্রেসিডেন্ট জিয়ার নির্মমভাবে প্রাণ হারানোর ঐদিন সকালে বোরখা পরে আখাউড়ার সীমান্ত দিয়ে রহস্যজনকভাবে পালিয়ে যাচ্ছিলেন। তৎকালীন বিডিআররা তাকে সন্দেহজনক সীমান্ত অতিক্রম করতে দেখে গ্রেপ্তার করেন। তিনি বিডিআর-এর হাতে ধরা পড়েন। পরে অনুসন্ধানে দেখা যায় তিনি আর কেউ নন, স্বয়ং শেখ হাসিনা। অনেকে মনে করেন, ভারতীয় ‘র’ এর অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়নে হাসিনা দেশে আসেন এবং জিয়াউর রহমানকে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী এইসব দুষ্ট সেনাদের দ্বারা হত্যা করেন।
চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস ট্র্যাজেডির সুফল ভোগী হয়েছিলেন তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল এরশাদ এবং আওয়ামী লীগ। কারণ, প্রেসিডেন্ট জেনারেল জিয়া শহিদ হওয়ার এক বছর যেতে না যেতেই জেনারেল এরশাদ ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ ভোরবেলা রক্তপাতহীন এক সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করেন এবং বিচারপতি সাত্তারকে ক্ষমতাচ্যুত করেন। নেপথ্যের কানাঘুষো থেকে চাউর হয়েছিল, বিচারপতি সাত্তারের কাছ থেকে সেনাপ্রধান এরশাদ ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে নিজেই প্রেসিডেন্ট বনে যান।
যাহোক, দীর্ঘ ৪৫ বছর পর ঢাকার বনানীতে অত্যন্ত সংরক্ষিত এলাকায় দিনযাপন করছিলেন মেজর মোজাফফর। সমস্ত আত্মীয়-স্বজন সবাইকে এড়িয়ে তিনি নিঃসঙ্গভাবে মোটামুটি কাটাচ্ছিলেন। ওই সুরক্ষিত এলাকা থেকে বাংলাদেশ পুলিশের ডিবি অর্থাৎ গোয়েন্দা পুলিশ সুকৌশলে প্রেসিডেন্ট জিয়ার অন্যতম হত্যাকারী মেজর মোজাফফরকে ফাঁদ পেতে গ্রেপ্তার করেছে। নিজের অতীত কর্মকাণ্ড মুছে ফেলে এই মেজর মোজাফফর এরশাদ জামানার নয় বছর। খালেদা জিয়ার দুই টার্মে ১০ বছর বছর। হাসিনার ২০ বছর। অন্তর্বর্তী সরকারের জুলাই বিপ্লব পরবর্তী দুই বছর এবং চলতি তারেক জিয়া সরকারের আমলে পাঁচ মাসের মাথায় গ্রেপ্তার হলেন।
বনানীর ডিওএইচএস-এর সংরক্ষিত এলাকায় এই খুনি মেজর বেশ নিরিবিলি বসবাস করছিলেন। মসজিদে গিয়ে প্রথম সারিতে বসে নামাজ কালাম আদায় করতেন একজন সুন্নতি মুসল্লির মতো। কিন্তু বর্তমান গোয়েন্দা পুলিশ বিশেষভাবে জানতে পারে যে, সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হত্যাকারী বনানীর একটি সুরক্ষিত ভবনে আত্মগোপন করে আছেন। তার মেয়ে স্থানীয় একটি বেসরকারি টেলিকমে চাকরি করেন। এই সূত্র ধরে গোয়েন্দা পুলিশ নজরদারি বাড়ায়। এক পর্যায়ে ঘটনার বেশ গভীর রাতে গোয়েন্দা পুলিশের একটি চৌকস দল নির্দিষ্ট ভবনে নির্দিষ্ট কক্ষের সামনে কলিং বেলে নক করেন। টেলিকম অফিসের চাকরিরত মহিলার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পরিচয় দিয়ে উপস্থিত হলে ওই রাতে চাকরিরত কন্যার পরিবর্তে পিতা হাজির হন। গোয়েন্দা পুলিশের লোকজন শান্ত মেজাজে কোনো জবরদস্তি ছাড়াই ওই বৃদ্ধ পিতাকে নরম ভাবে প্রশ্ন করেন, “মুরুব্বি, আপনাকে তো চিনলাম না?” তখন মেজর মোজাফফর নিজেই বলেন, আমি মেয়ের পিতা মোজাফফর। গোয়েন্দা পুলিশ নমুনা হিসেবে তার নাকের নিচে তিল বা আঁচিল দেখে তৎক্ষণাৎ শনাক্ত করে ফেলেন এবং হাতকড়া পরান।
শ্বাস রুদ্ধকর এ ঘটনার পেছনের ঘটনা জানা এখন জরুরি। যদিও আর্মি অ্যাক্টের ৩৫ ধারা অনুযায়ী ১৯৮১ সালে সেই সময়ের বিচারে কোর্ট মার্শাল-এ তার মৃত্যুদণ্ড অর্থাৎ ফাঁসির আদেশ হয়েছিল। কিন্তু দেশের মানুষ এই মুহূর্তে মোজাফফর শুধু মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে খুশি নন। বরং ওকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে গত ৪৫ বছরে বাংলাদেশে ক্রিয়াশীল ‘র’ এর অনেক দেশবিরোধী কার্যক্রম উদ্ঘাটিত হবে। অনেক তথ্য বেরিয়ে আসবে। প্রেসিডেন্ট এরশাদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমলে সে বহুবার নাম বদল করে জয় ব্যানার্জি ছদ্ম নাম নিয়ে দেশে-বিদেশে ঘুরেছে। বিশেষ করে ভারতে অবস্থান করেছে। কখনো কখনো ভারত বাংলাদেশ যাতায়াত করেছে। কেউ তার কেশাগ্র স্পর্শ করার সুযোগ পায়নি। এত গোয়েন্দার মধ্যে কী করে সে ৪৫ বছর এত গোপনে থাকলো, সে প্রশ্নটি এখন সবার মনে। ২৪ এর জুলাইয়ে গণ বিপ্লবের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার মোট দেড় বছর ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় কেউ তার হদিশ পায়নি। তাহলে বিষয়টি এত রহস্যজনক থাকার কারণ কী?
সম্প্রতি দেশের প্রবীণ নেতা সেনাবাহিনীর প্রাক্তন কর্মকর্তা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মুক্তিযুদ্ধকালীন তৎকালীন মেজর জিয়ার একান্ত সহযোদ্ধা, কর্নেল ডক্টর অলি আহমেদ যখন বর্তমান সরকার প্রধান দেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়াকে উল্লেখ করে বলেছেন, তার জীবন সংশয়ের মুখে ঠিক তারপর পরই প্রধানমন্ত্রীর তারেক জিয়া যেখানে বসবাস করেন সেই গুলশানের পাশাপাশি বনানী এলাকা থেকে খুনি মেজর মোজাফফরকে গোয়েন্দা পুলিশ খুঁজে বের করলো। এখন প্রশ্ন সে কী কোন মিশন কার্যকর করার জন্য সে অবস্থান করছিল? মেজর জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর সাথে তার বহুবার কথোপকথন হয়েছে তার কল রেকর্ডও গোয়েন্দাদের হাতে।
এই সেই মাসুদ উদ্দিন যে মইনুল রোডে ঢুকে তারেক জিয়াকে শারীরিক নির্যাতন করে মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙে দিয়েছিল ১/১১ এর সময়। মেজর মুজাফফরের সাথে জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী যে এখন সরকারের পুলিশের খাঁচায় বন্দী, এদের মধ্যে অনেক কথোপকথন হয়েছে। সেখানে কি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়ার সম্পর্কে কোনো ষড়যন্ত্র আছে কিনা জিজ্ঞাসাবাদ করলে সহজেই বেরিয়ে আসবে। গুলশানের সামান্য দূরে এই মেজর কোনো মিশন নিয়ে গোপন ষড়যন্ত্র করছিলেন কিনা সেটি উদ্ঘাটনের জন্য তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা দরকার।
শোনা যাচ্ছে, বাংলাদেশের রূপকার স্বাধীনতার ঘোষক, প্রয়াত সাবেক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার মতো তার পুত্র প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়াকে নাকি এই গ্রুপটি টার্গেট করে হাসিনা পুনর্বাসনের ষোলো কলা পূর্ণ করতে চেয়েছিলেন। ব্যাপারটি যে নিঃসন্দেহে ভয়ংকর তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তাই এই কুখ্যাত খুনি কে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট জিয়া হত্যাকাণ্ডে আরও কারা কারা জড়িত ছিল সে তথ্যসহ বর্তমান অবস্থায় ওদের কার্যক্রমের অনেক কুৎসিত ঘটনা বেরিয়ে পড়তে পারে বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করছেন।
লেখক : রাজনৈতিক বিশ্লেষক, সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিস্ট।
খুলনা গেজেট/এনএম

