এক সপ্তাহ আগেও ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে কাউকেই আলাদাভাবে এগিয়ে রাখা যাচ্ছিল না। তবে গত সাত দিনে বদলে গেছে সেই চিত্র। কিলিয়ান এমবাপের আত্মবিশ্বাসী দাবি, এরপর লামিন ইয়ামালকে ঘিরে বার্সেলোনার জোরালো অবস্থান, সব মিলিয়ে এবারের ব্যালন ডি’অরের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন এই দুই তারকা। অবশ্য অন্য প্রতিদ্বন্দ্বীরাও পুরোপুরি হিসাবের বাইরে নন।
বার্সেলোনার দৃষ্টিতে অবশ্য ইয়ামালই এবারের ব্যালন ডি’অরের সবচেয়ে যোগ্য দাবিদার। ক্লাবটির সভাপতি, সহসভাপতি থেকে শুরু করে একাধিক কর্মকর্তা প্রকাশ্যে একই মত জানিয়েছেন। নতুন মৌসুমের শুরুতেও দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে সেই দাবির পক্ষে মাঠেও উত্তর দিচ্ছেন ১৯ বছর বয়সী এই স্প্যানিশ তারকা।
ব্যালন ডি’অর জয়ের স্বপ্ন এবার আর গোপন রাখছেন না কিলিয়ান এমবাপে। এএসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরাসি তারকা নিজের পরিসংখ্যান তুলে ধরে ব্যাখ্যা করেছেন, কেন তিনি নিজেকেই এবারের পুরস্কারের যোগ্য দাবিদার বলে মনে করেন।
তবে ইয়ামালকে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে প্রতিদ্বন্দ্বিতার উত্তাপ বাড়ানোর পথে হাঁটেননি এমবাপে। বরং স্প্যানিশ তরুণকে নিয়ে প্রশংসাই ঝরেছে তার কণ্ঠে, ‘আমি মনে করি, সে খুবই প্রতিভাবান একজন খেলোয়াড়। আমার মনে হয়, তার সামনে দারুণ একটি ক্যারিয়ার অপেক্ষা করছে। আমি তার জন্য শুভকামনা জানাই।’
বার্সেলোনা গত মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিততে না পারলেও লা লিগা ও স্প্যানিশ সুপার কাপ জিতেছে। ঘরোয়া ফুটবলে দলটির দারুণ সাফল্যের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল ইয়ামালের। স্পেনে গত মৌসুমে তিনি নিজেকে বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে স্পেনের হয়ে বিশ্বকাপ জয়।
তবে এই দৌড়ে ইয়ামালের একটি বড় সীমাবদ্ধতা হচ্ছে বিশ্বকাপে তার পারফরম্যান্স। টুর্নামেন্টে মাত্র এক গোল করেছেন তিনি। চোটের প্রভাবও পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে পারেননি; মাঠে বেশ কয়েকবার বোঝা গেছে, তিনি শতভাগ ফিট ছিলেন না।
অন্যদিকে এমবাপের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের পক্ষে রয়েছে শক্তিশালী যুক্তি। তবে তার বড় দুর্বলতা হলো—ক্লাব বা জাতীয় দল, কোনো পর্যায়েই গত মৌসুমে কোনো শিরোপা জিততে পারেননি তিনি।
খুলনা গেজেট/এনএম

