জুলাই আন্দোলনের পর ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন ফারুক আহমেদ। আবার মাঝপথেই সেই দায়িত্ব হারান। এরপর গেল বছর আমিনুল ইসলাম বুলবুলের আমলে সহ-সভাপতিও হয়েছেন। তবে নানান অভিযোগে মেয়াদপূর্তির আগেই ভেঙে যায় পুরো বোর্ড। এরপর বিসিবিতে তামিমের নেতৃত্বাধীন এডহক কমিটি ও নির্বাচিত বোর্ড আসলেও ফারুক আহমেদকে দেখা যায়নি।
এদিকে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ক্ষমতা হারানো বিসিবির সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল আইসিসিকে অভিযোগ জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন। সেই চিঠি নিয়ে সোমবার (২৯ জুন) কথা বলেছেন ফারুক আহমেদ। তিনি বলেন, ‘আইসিসিকে চিঠি দেওয়ার ব্যাপারে কিছুই জানি না। জানি না মানে একদমই জানি না। পুরোটা পড়ে দেখারও সময় ছিল না, ব্যস্ত ছিলাম। এ ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না, আপনাদের পরিষ্কার করার জন্য বলে দিচ্ছি।’
ফারুক আহমেদ বলেন, ‘বেশিরভাগ সময় দেখা গেছে কোনো ঘটনা ঘটলে আমি এসে যাই। আমি এটার অংশ আছি কি না… একটা স্বার্থান্বেষী মহল আমাকে জড়িয়ে ফেলে। এজন্যই চিন্তা করেছি এটা সবার পরিষ্কার হওয়া দরকার। আইসিসিকে চিঠি দেওয়ার ব্যাপারে আমি কিছু জানি না।’
যখন সভাপতির পদ থেকে সরানো হয়, তখনও কোনো অভিযোগ করেননি দাবি করে ফারুক বলেন, ‘আমিও তো বোর্ড সভাপতি ছিলাম। আমাকে সরানোর প্রক্রিয়াও ঠিক ছিল না। তখন কিন্তু আমি আইসিসিকে অভিযোগ করিনি। একটা চিঠিও দেইনি। সে জায়গা থেকে মোটামুটি নিশ্চিত থাকতে পারেন, এখানে আমার হাত নেই, আমি জানি না।’
আইসিসির কাছে বুলবুলের চিঠি পাঠানোর বিষয়টি সত্যি কিনা জানতে চাইলে ফারুক জানান, ‘চিঠিটা আমি তো দেখেছি গত পরশু। লাইন বাই লাইন। চিঠিটা আমার কাছে এসেছে, পয়েন্ট বাই পয়েন্ট। আমি পড়িনি, তবে আইসিসিতে গেছে কিনা বলতে পারব না যেহেতু আইসিসির সাথে আমার কানেকশন নেই এখন।’
ফারুক আহমেদ আরও বলেন, ‘আমিনুল ইসলাম বুলবুল হয়ত একটা বিবৃতি দিয়েছেন। উনি ব্যাপারটা ক্লিয়ার করতে পারবেন। আইসিসির কাছে চিঠি গেছে কিনা এ ব্যাপারে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই।’
বুলবুলের বোর্ডে শেষ পর্যন্ত যারা ছিলেন, তারা এই চিঠিতে সমর্থন জানিয়েছেন—এমন প্রসঙ্গে ফারুক বলেন, ‘বলেছি তো রিটের (হাইকোর্টের) স্বাক্ষর আছে। তবে আইসিসির এটাতে আমাদের কোনো স্বাক্ষর নেই। মানে আমার নেই। এই চিঠিতে আলাদা কোনো সই করিনি। কেউ যদি বের করে দিতে পারে…তাকে চ্যালেঞ্জ করছি।’
খুলনা গেজেট/এএজে

