গ্লোবাল ডিকশনারিতে সবচেয়ে চেনা শব্দগুলোর তালিকা করলে ওপরের দিকেই থাকবে ‘ফুটবল’। আফ্রিকার বিদ্যুৎহীন, অনুন্নত গ্রাম থেকে শুরু করে ফার্স্ট ওয়ার্ল্ডের যে কোনো আধুনিক মেগাসিটি- ভৌগোলিক ও সামাজিক সব ব্যবধান এক নিমিষেই মুছে দিতে পারে এই একটি গোল চামড়ার বল।
চীনের প্রাচীন ‘কুজু’ ও ইংল্যান্ডের ‘মব ফুটবল’
ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, প্রাচীন চীনের ‘কুজু’ থেকে মধ্যযুগের ইংল্যান্ডের হিংস্র ‘মব ফুটবল’ হয়ে আধুনিক রূপ পায় এই খেলা। যা পরবর্তীতে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শক্তির হাত ধরে ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বময়। তবে ফুটবলকে বৈশ্বিক স্তরে নিয়ে গেছে ফিফা বিশ্বকাপ। ঐতিহ্যগতভাবে ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ তকমাটি অলিম্পিক গেমসের দখলে থাকলেও বর্তমান যুগে তীব্র ও উন্মাদনা আর দর্শকপ্রিয়তার বিচারের সেই সিংহাসন এখন এককভাবে ফিফা বিশ্বকাপের।
বিংশ শতাব্দীর শুরুতে ফুটবলের জনপ্রিয়তা যখন আকাশচুম্বী হতে শুরু করে, তখন অলিম্পিকের গন্ডি পেরিয়ে কেবল ফুটবলের জন্য একটি স্বাধীন বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের স্বপ্ন দেখেন ফিফার তৎকালীন ফরাসি প্রেসিডেন্ট জুলে রিমে। তার অক্লান্ত প্রচেষ্টায় ১৯২৮ সালে ফিফা নিজস্ব বিশ্বকাপ আয়োজনের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেয়। সেই ধারাবাহিকতায় বিশ্বকাপের যাত্রা শুরু হয় ১৯৩০ সালে। (চলবে)
খুলনা গেজেট/এনএম

