খুলনা মহানগরীর জোড়াগেটে কোরবানির পশুর হাট ইজারা দিতে তিন দফায় টেন্ডার আহ্বান করা হলেও কোনো ঠিকাদার অংশ নেয়নি। ৪র্থ ও শেষ দফায় টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। সোমবার টেন্ডার ওপেন করা হবে। সেখানে কেউ অংশ না নিলে নিয়ম অনুযায়ি হাট পরিচালনার দায়িত্ব নেবে কেসিসি কর্তৃপক্ষ। এ হাট থেকে গত বছর সিটি কর্পোরেশন ২ কোটি ৭ লাখ টাকা রাজস্ব আয় করে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কোরবানির হাট পরিচালনার জন্য গত ১২ মার্চ প্রথম দফায় টেন্ডারের আহ্বান করে কেসিসি। তখন টেন্ডার গ্রহণে কোনো সাড়া না পাওয়ায় পরবর্তীতে ৩১ মার্চ ও ৯ এপ্রিল আবারও টেন্ডার আহ্বান করা হয়। কিন্তু তখনও কেউ সাড়া না দেওয়া পরবর্তীতে আবার ২৩ এপ্রিল পত্রিকায় টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো ঠিকাদার বা আগ্রহীরা এ টেন্ডারে সাড়া দেয়নি। আজ সোমবার টেন্ডার ওপেনিংয়ের দিন ধার্য রয়েছে। যদি কেউ অংশ না নেয় তাহলে সিটি করপোরেশন নিজেই হাট পরিচালনার দায়িত্ব নেবে।
কেসিসির বাজার শাখা কর্মকর্তা শেখ শফিকুল হাসান দিদার বলেন, ‘কোরবানির পশুর হাটের দর ওঠানো হয়েছে দু’কোটি ৩০ লাখ টাকা। তিনবার আহ্বান করা হয়েছে। কোনো সাড়া মেলেনি। চতুর্থ বার ডাকা হয়। সোমবার টেন্ডার ওপেনিংয়ের দিন ধার্য রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘যদি কোনো ঠিকাদার অংশ না নেয় তাহলে হাট পরিচালনারা দায়িত্ব নেবে সিটি করপোরেশন। গত বছরও টেন্ডার আহ্বান করা হলেও কেউ সাড়া দেয়নি। ফলে কেসিসি দায়িত্ব নিয়ে হাট পরিচালনা করে দুই কোটি সাত লাখ টাকা রাজস্ব আয় করেছিল। গত বছরে হাসিলের পরিমাণ ছিল ৪ শতাংশ।’ এবারও হাসিলের পরিমাণ একই থাকবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।
তিনি আরও বলেন, ‘হাটে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ সুবিধা থাকবে। পশু ও মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসার জন্য রাখা হবে মেডিকেল টিম। হাটে এসে কেউ যেন প্রতারণার শিকার না হয় সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জোর টহল থাকবে।
নকল টাকা প্রতিরোধে থাকবে বিভিন্ন ব্যাংকের বুথ। এক সপ্তাহ আগে থেকে হাট শুরু করতে হবে। ইতোমধ্যে হাট পরিচালনা করার জন্য কেসিসি সচিব (ভারপ্রাপ্ত) রহিমা খাতুন বুশরাকে আহ্বায়ক ও বাজার শাখার কর্মকর্তা শেখ শফিকুল হাসান দিদারকে সদস্য সচিব করে ৩২ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।’
খুলনা গেজেট/এনএম

