সড়ক দুর্ঘটনায় একটি সাজানো সংসার তছনছ হয়ে গেল। তিন শিশু সন্তান নিয়ে মারা গেছেন জনির স্ত্রী পুতুল। যদিও দুর্ঘটনায় পুতুলের স্বামী জনি বেঁচে যায়।
গত বুধবার রাতে দেবর আহাদুর রহমান সাব্বিরের বিয়ে হয়। রাতে খুব আনন্দ উল্লাস হয়েছে কয়রা উপজেলার নাকশা গ্রামে। দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে নববধুসহ মাইক্রোবাসে মোংলার উদ্দেশ্যে রওনা হয় পরিবারটি। কিন্তু বাড়ি যাওয়ার আগেই রামপাল বেলাই ব্রিজের কাছে নৌবাহিনীর বাসের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ওই দুর্ঘটনায় মোংলা বিএনপি নেতা আব্দুর রজ্জাকের পরিবারের ১২ জন সদস্য নিহত হয়।
রাতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গের সামনে পুতুলের দেবর আলামিন কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার ভাবি খুবই চঞ্চল ছিলেন। এক হাতে সংসারের সব কিছু ম্যানেজ করতেন। সব সময় হাসিখুশি থাকতেন। ভাবির সাথে আজ তার তিন সন্তান চলে গেল। একটি সাজানো সংসার তছনছ হয়ে গেল। কত সুন্দর সংসার ছিল আমাদের।’ এখন আমরা নিঃস্ব হয়ে গেলাম-বলেই তিনি অঝোরে কাঁদতে থাকেন।
খুলনা গেজেট/এনএম

