খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় তরুণদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন সচেতন তরুণই পারে ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক ও উন্নত সমাজ গড়ে তুলতে। তবে বাস্তবে সব ক্ষেত্রে শিশু ও তরুণদের যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে নগরীর সিএসএস আভা সেন্টারে ওয়ার্ল্ড ভিশন-বাংলাদেশ আয়োজিত বার্ষিক শিশু ও যুব সম্মেলন-২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। “তারুণ্যের প্রত্যয়ে মুছে যাবে ভেদ, গড়ব সুশাসন ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ” প্রতিপাদ্যে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
কেসিসি প্রশাসক বলেন, স্লাম এলাকায় অনেক শিশু কাজের জন্য স্কুলে যেতে চায় না। অনেক ক্ষেত্রে অভিভাবকরাও লেখাপড়ার চেয়ে সন্তানদের আয় করতে উৎসাহ দেন। এসব শিশু-কিশোরকে বিদ্যালয়মুখী করতে সরকারের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে বলে তিনি জানান।
তিনি বলেন, একটি পরিচ্ছন্ন, দূষণমুক্ত ও সবুজ শহর গড়ে তোলার পাশাপাশি ড্রেন পরিষ্কার করে মশার উৎপত্তিস্থল ধ্বংসের নির্দেশনা রয়েছে। ঝুলন্ত তার মাটির নিচে স্থাপন করে নিরাপদ শহর গড়ে তোলার কাজও শুরু হয়েছে। শিশু ও তরুণদের উন্নয়নে ওয়ার্ল্ড ভিশনের কার্যক্রমে সিটি করপোরেশন প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সম্মেলনে তরুণদের দায়িত্বশীল অনলাইন আচরণ, গণমাধ্যম বিষয়ে সচেতনতা এবং প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার বিষয়েও বিভিন্ন সেশনে বিশেষজ্ঞরা আলোচনা করেন।
ওয়ার্ল্ড ভিশন-বাংলাদেশের সিনিয়র ম্যানেজার ফুলি সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর খুলনার সহকারী পরিচালক এস এম বদিউজ্জামান, পিবিআই খুলনার পুলিশ সুপার রেশমা শারমিন, বেসরকারি সংস্থা রূপান্তরের প্রধান নির্বাহী স্বপন গুহ, যুব ফোরামের সহসভাপতি আফরোজা স্বর্ণা ও সেক্রেটারি খন্দকার ওয়ালিদ।
উল্লেখ্য, সংস্থাটি ২০২৪ সাল থেকে ‘খুলনা শহর এরিয়া কর্মসূচি’র আওতায় নগরীর ৩১টি ওয়ার্ডে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, শিশু নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
খুলনা গেজেট/এএজে

