মঙ্গলবার । ২৩শে জুন, ২০২৬ । ৯ই আষাঢ়, ১৪৩৩
জাতীয় পর্যায়ে ক্ষুদে বিতার্কিকদের প্রতিযোগিতা

দেশের ৬৫ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে চতুর্থ মুহাম্মদনগর প্রা. বিদ্যালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক উপলক্ষে ক্ষুদে বিতার্কিকদের নিয়ে দেশব্যাপী আয়োজিত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় সারাদেশের সাড়ে ৬৫ হাজার বিদ্যালয়ের মধ্যে চতুর্থ হয়েছে খুলনার বটিয়াঘাটায় অবস্থিত মুহাম্মদনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। গত ১৬ জুন রাজধানীর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাঙ্গণে চূড়ান্ত পর্বে মাত্র ১ নম্বরের জন্য ফাইনাল থেকে ছিটকে পড়ে বিদ্যালয়টি। হতাশার গ্লানিতে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী বিতর্কেও পরাজিত হয় খুলনার ক্ষুদে বিতার্কিকরা।

দেশসেরা হওয়ার বিতর্কে খুলনার প্রতিনিধিত্ব করেছে মুহাম্মদনগর সরকারি বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র আব্দুল্লাহ আল মায়মুন, রিশাদ, তাহালিল তোহা মাহিন ও চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী মুহতসিম মাহদী।

প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ থেকে জানা গেছে, গত ৪ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া প্রাথমিক বিতর্ক প্রতিযোগিতায় সারাদেশের ৬৫ হাজার ৫৬৯টি বিদ্যালয় অংশ নেয়। প্রথমে উপজেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন, নয়টি উপজেলার সেরা বিতার্কিকদের হারিয়ে জেলা চ্যাম্পিয়ন এবং খুলনা বিভাগের ১০টি জেলার সেরা স্কুলগুলোকে হারিয়ে তারা বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। গত ১৫ জুন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে চূড়ান্ত পর্বে জিতে তারা সেমিফাইনালে ওঠে। কিন্তু মাত্র এক নম্বরের জন্য ফাইনালে উঠতে পারেনি।

এছাড়া বালিকা দল ক্যাটাগরীতে বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী মারিয়াম জান্নাত, ফারজিন ফাতেমা, চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী রায়হানা তাসনিম রাহি খুলনা জেলায় রানারআপ হয়।

ক্ষুদে বিতকার্কিকদের জাতীয় পর্যায়ে লড়াইয়ের এই যাত্রায় সার্বক্ষণিক পাশে ছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা মোর্শেদা বাঁধন ও ইন্দ্রা রানী ঘোষ। তাদের সঙ্গে ছিলেন সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলাম। উপজেলা থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত পুরো টিমকে নেতৃত্ব দিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মনিরুজ্জামান ময়না। বিদ্যালয় শিক্ষকদের নিরলস প্রচেষ্টা ও তত্ত্বাবধায়নে দেশসেরা হওয়ার দৌড়ে খুলনার নামীদামি বিদ্যালয়কে পেছনে ফেললো তারা।

এর আগে ২০২৩ সালে দেশসেরা প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্বাচিত মুহাম্মদনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। খুলনা জেলার সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী, সর্বোচ্চ উপস্থিতি, বিদ্যালয়ের মনোমুগ্ধকর পরিবেশ ও শ্রেণিকক্ষ এবং সেরা ফলাফলের কারণে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে বিদ্যালয়টি।

 

খুলনা গেজেট/এনএম




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন