শেষ হলো ৪ দিনব্যাপী সুফিজম বিষয়ক আন্তর্জাতিক ছবি প্রদর্শনী

নিজস্ব প্রতিবেদক

আলোকচিত্রের মাধ্যমে সুফিজমকে বর্তমান প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমির চিত্র শালায় আয়োজিত চার দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক ছবি প্রদর্শনী সমাপ্ত হয়েছে। সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টায় এ প্রদর্শনী শেষ হয়।

দারুল ইরফান রিসার্চ ইনস্টিটিউট (ডিআইআরআই)’র উদ্যোগে এবং ইমেজ ঘর ফটোগ্রাফিক সোসাইটি ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ফটোগ্রাফিক সোসাইটির সহযোগিতায় শুক্রবার থেকে আয়োজন করা হয় এই প্রদর্শনী।

সমাপনী উপলক্ষে খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমির সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। ডিআইআরআই’র ম্যানেজিং ট্রাস্টি ও মাইজভাণ্ডার গাউছিয়া আহমদিয়া মঞ্জিলের নায়েব সাজ্জাদানশীন সৈয়দ ইরফানুল হক মাইজভাণ্ডারীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন ডিআইআরআই আন্তর্জাতিক ছবি প্রতিযোগিতা আয়োজক কমিটির স্যালুন চেয়ারম্যান শোয়েব ফারুকী, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. শাহ জালাল, সরকারী সুন্দরবন কলেজের উপাধ্যক্ষ ড. মো. মিজানুর রহমান, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মামুনুর রশিদ, ইমেজ ঘর ফটোগ্রাফিক সোসাইটির সহ-সভাপতি মো. মাসুদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, যুগ্মসম্পাদক জাহিদুল ইসলাম পলাশ, প্রদর্শনী সম্পাদক আতিকুল হক সুমন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ফটোগ্রাফিক সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মো. হাশেম আহমেদ।

সভায় বক্তারা বলেন, সুফিজম মানুষকে সাম্যের বাণী শোনায়। আয়োজিত প্রদর্শনীর মাধ্যমে সুফিজমের নানা নিদর্শন, ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে পেরেছে মানুষ।

এছাড়া সমাপনী দিন প্রেমের তরী সুফি সংগীতালয়ের উদ্যোগে খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে মাইজভাণ্ডারী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

শুক্রবার (১০ ফেব্রুয়ারি) খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমির চিত্র শালায় প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন ইমেজ ঘর ফটোগ্রাফিক সোসাইটির সভাপতি এবং গাজী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডা. গাজী মিজানুর রহমান।

গত অক্টোবরে ডিআইআরআই’র আয়োজনে ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, বাংলাদেশ ফটোগ্রাফিক সোসাইটি, গ্লোবাল ফটোগ্রাফিক ইউনিয়ন, সিলি সানাত সারাইয়ি ও চট্টগ্রাম ফটোগ্রাফিক সোসাইটির সহযোগিতায় আয়োজন করা হয় আন্তর্জাতিক ছবি প্রতিযোগিতা।

বিশ্বের ৫১টি দেশের ৭২৪ জন আলোকচিত্রী প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। মোট ২৫৭৮টি ছবি থেকে চারটি ক্যাটাগরিতে ৫৯ জন আলোকচিত্রীর ১৫১টি ছবিকে পুরস্কার দেওয়া হয়। এছাড়া প্রতিযোগিতা থেকে ২০০টি ছবি বাছাই করা হয় প্রদর্শনীর জন্য। এসব নির্বাচিত ছবি নিয়ে আয়োজন করা হয় প্রদর্শনী।

খুলনা গেজেট/এইচ এইচ




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন