আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, এবারের বাজেটে সামাজিক উন্নয়ন কর্মসূচিকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে আগামী জুলাই মাসের ১ তারিখ থেকে ফ্যামিলি, কৃষক, ইমাম কার্ডসহ সব মানবিক-উন্নয়ন কর্মসূচি পুরোদমে শুরু করা হবে।
বুধবার (১৭ জুন) সকালে ঝিনাইদহ শহরের পবহাটিতে আধুনিক কসাইখানা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’-এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ভোটারের কালির দাগ মোছার আগেই আমরা নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছি। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, আমরা ক্ষমতায় গেলে নারীর জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ইস্যু করব। সারা বাংলাদেশে ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট প্রোগ্রাম শুরু হয়ে গেছে। আজ ১৯টি জেলায় ১৯টি স্পটে ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন হবে। আমরা আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, আমাদের ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার বারুইপাড়া গ্রামে ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করা হবে। আমরা ইতোমধ্যে কৃষক কার্ড উদ্বোধন করেছি, হরিণাকুণ্ডু ও শৈলকুপায় খাল খননের উদ্বোধন করেছি। আমরা ইমামদের ভাতা দিতে চেয়েছিলাম, তার পাইলট কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু করেছি।
এবারের যে বাজেট দেওয়া হয়েছে, তাতে সামাজিক উন্নয়ন কর্মসূচিকে অনেক বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। যে কারণে আশা করছি, মাসের এক তারিখ থেকে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ যত মানবিক কর্মকাণ্ড আছে, তা আমরা ফুল স্পিরিটে এগিয়ে নিতে পারব। আমরা অধিকাংশ ক্ষেত্রে করের চাপ কমিয়েছি। যে কারণে অনেকেই বলেছেন, এটি স্বপ্নবিলাসী বাজেট। অনেকে অনেকভাবে এটিকে সংজ্ঞায়িত করেছেন। আগে বাজেট দেওয়া হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা একটি মিছিল করতেন যে, ‘এ বাজেট গরিব মারার বাজেট, এ বাজেট মানি না’। তবে এবার বাজেটের বিরুদ্ধে এই মিছিল না হয়ে মিছিল হয়েছে- মদের দাম বাড়ল কেন, বিড়ির দাম বাড়ল কেন?’
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নোমান হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান, জেলা পরিষদের প্রশাসক এমএ মজিদ, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক রথীন্দ্র নাথ রায়, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা।
খুলনা গেজেট/এএজে

