শনিবার । ৩০শে মে, ২০২৬ । ১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

সীমান্তে চামড়া পাচাররোধে সতর্ক বিজিবি, টহল জোরদার

নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর

কোরবানির পশুর চামড়া সীমান্তের চোরাপথে ভারতে পাচার প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বিজিবি। পরিস্থিতি মোকাবিলায় যশোরের বেনাপোল সীমান্ত এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৯ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান। তিনি জানান, সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে সার্বক্ষণিক নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সীমান্ত জুড়ে চলছে বিজিবি টহল। কোরবানির পর চামড়া পাচারের ঝুঁকি যতদিন থাকবে, ততদিন এই বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সরকার চলতি বছর গরুর লবণযুক্ত চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুটে ২ টাকা বাড়ালেও বাস্তবে সেই সুবিধা পাচ্ছেন না প্রান্তিক ও মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। অনেক বিক্রেতার অভিযোগ, গত বছরের তুলনায় প্রতিটি গরুর চামড়ায় ১৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত কম দাম দিচ্ছে পাইকাররা।

অন্যদিকে ছাগলের চামড়ার বাজারেও ক্রেতাদের আগ্রহ কম দেখা গেছে। ফলে অনেক বিক্রেতা চামড়া বিক্রি করতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন। অনেক মৌসুমি ব্যবসায়ী চামড়া বাজারে নিয়ে এলেও কাঙ্ক্ষিত ক্রেতা পাচ্ছেন না। এতে হতাশা প্রকাশ করেছেন বিক্রেতারা।

কিছু বিক্রেতা জানান, দেশের বাজারে ন্যায্য দাম না পাওয়ায় অনেকেই বেশি লাভের আশায় চোরাকারবারিদের কাছে চামড়া বিক্রির দিকে ঝুঁকছেন। আর এ কারণেই সীমান্ত দিয়ে চামড়া পাচারের ঝুঁকি রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের মতে, প্রতিবছর কোরবানির মৌসুমে ভারতীয় বাজারে গরুর চামড়ার চাহিদা ও দাম বেশি থাকায় সীমান্তপথে পাচারের প্রবণতা দেখা যায়। তবে চলতি বছর যাতে কোনোভাবেই চামড়া পাচার না হয়, সে বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বিজিবি।

বেনাপোল পোর্ট থানার উপপরিদর্শক তাপস কুমার আঢ্য বলেন, চামড়া পাচার প্রতিরোধে বিজিবির সঙ্গে সমন্বয় করে পুলিশও কাজ করছে। সীমান্ত এলাকা সহ শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে।

খুলনা গেজেট/এএজে




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন