মঙ্গলবার । ৫ই মে, ২০২৬ । ২২শে বৈশাখ, ১৪৩৩

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৩৬ শিশুসহ নিহত সংখ্যা বেড়ে ১৪৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নারী-শিশুসহ নিহত বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ১৩৭ জনে। নিহতের মধ্যে ৩৬ জনই শিশু। কয়েকদিনের অব্যাহত বিমান হামলার পর ইসরায়েল শুক্রবার থেকে স্থলেও হামলা চালাতে শুরু করেছে। সেই সঙ্গে ফিলিস্তিন সীমান্তে সেনা ও ট্যাংক সংখ্যা বাড়িয়েছে ইসরায়েল।

আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার রাতের পর শনিবার সকালেও গাজায় বিমান হামলা করেছে ইসরায়েল। হামলায় সোমবার থেকে এখন পর্যন্ত ৯২০ জন আহত হয়েছে।

অন্যদিকে দখলকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ১১ জন নিহত হয়েছে। সেখানে ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি বিক্ষোভ করেছে।

ফিলিস্তিনে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। গাজায় ফিলিস্তিনের এক শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলের বিমান হামলায় কমপক্ষে দুই নারী ও ছয় শিশু নিহত হয়েছে। এ ছাড়া ধংসস্তুপের নিচে আরও মানুষ চাপা পড়ে আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গাজার খান ইউনুস এলাকার এক বাড়িতেও হামলা চালায় ইসরায়েলি বিমান। সেখানে হতাহতের সংখ্যা এখনো জানা যায়নি।

হাজার হাজার ফিলিস্তিনি পরিবার বাড়িঘর ছেড়ে গাজায় জাতিসংঘ পরিচালিত এক স্কুলে আশ্রয় নিয়েছে। গাজার উত্তরাঞ্চলেও ইসরায়েলের স্থল সেনারাও গুলি ছুড়েছে। ইসরায়েলের হামলা থেকে বাঁচতে অন্তত ১০ হাজার ফিলিস্তিনি তাদের বাড়িঘর ছেড়েছে বলে জানায় জাতিসংঘ।

দুই পক্ষকে এই যুদ্ধাবস্থা থেকে বিরত রাখতে ও সেখানে শান্তি ফিরিয়ে আনতে জাতিসংঘের প্রধান অ্যান্তোনিও গুতেরেসকে আহ্বান জানানো হয়েছে। দুই পক্ষকে শান্তি আলোচনায় বসতে আন্তর্জাতিক আহ্বানে সাড়া দেয়নি ইসরায়েল।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, ইসরায়েলে শান্তি ফিরিয়ে আনতে তারা বদ্ধপরিকর। এ জন্য এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ইসরায়েলের আসদদ শহরে শনিবার সকালেও কয়েকটি রকেট হামলা চালিয়েছে হামাস। হামাসের রকেট হামলায় এখন পর্যন্ত ইসরায়েলে নয়জন নিহত হয়েছে।

অন্যদিকে ইসরায়েলে শুরু হয়েছে ইহুদী ও আরবদের মধ্যে দাঙ্গা। দাঙ্গা ধীরে ধীরে বেশ কয়েকটি শহরে ছড়িয়ে পড়েছে। কোথাও কোথাও ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের খবরও পাওয়া যাচ্ছে।

 

খুলনা গেজেট/এনএম




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন