পশ্চিমবঙ্গের দুই বিধানসভা উপনির্বাচন কার্যত মমতা-শূন্য

মোহাম্মদ সাদউদ্দিন, কলকাতা

পশ্চিমবঙ্গের দুই হাই ভল্টেজ বিধানসভা নন্দীগ্রাম (পূর্বমেদিনীপুর) ও রেজিনগর (মুর্শিদাবাদ) বিধানসভা উপনির্বাচন থেকে কার্যত মমতাহীন। অর্থাৎ মমতাপন্হী তৃণমূলহীন। ১৮ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) নন্দীগ্রাম থেকে মমতাপন্হী তৃণমূলের প্রার্থী পদ প্রত্যাহার করেন সঞ্চিন প্রধান দে। ঐদিন প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের পর তিনি নবান্নে বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকেও দেখাও করেন। আর ঐদিন বিকেলে কালীঘাটের বাড়িতে মমতা ব্যানার্জি প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়ে কংগ্রেসকে সমর্থন করবে বলে জানিয়ে দেন। রাজ্যের ওয়াকিবহাল মহলের প্রশ্ন, পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেসের কবর দিয়ে মমতা এতদিন পর কংগ্রেস ও ইণ্ডিয়া-জোট দরদী হলেন? এই প্রশ্ন রাজ্যবাসীরও।

ঠিক মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষদিন ছিল শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর)। এদিন মুর্শিদাবাদ জেলার রেজিনগর বিধানসভার মমতাপন্হী তৃণমূল প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী শেষ মুহুর্তে প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করলেন। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, তৃণমূল জোড়াফুল প্রতীক কার্যত ফ্রিজ হয়ে গেছে। নতুন প্রতীক লড়তে গিয়ে তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের নামানো যাচ্ছে না। তাই প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করতে বাধ্য হলাম।

এখানে একটা কথাই বলতে হয় যে, তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে এসে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল হয়েছিল , তার অন্ত:সারশূন্য অবস্হা কেন? যে দল ২০১১ সালে ৩৪ বছর ধরে ক্ষমতাসীন রেজিমেন্টেড বামফ্রন্টকে হটিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ১৫ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকলো, তার আজ ঐ দশা কেন? এটাই এখন ওয়াকিবহাল মহলের কাছে মিলিয়ন ডলারের প্রশ্ন।

 

খুলনা গেজেট/এনএম




খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন