বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক কঙ্গোতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত এভিয়েশন ট্রান্সপোর্ট ইউনিট কন্টিনজেন্টের নিয়মিত প্রতিস্থাপন কার্যক্রম শুরু করেছে। এর অংশ হিসেবে মোট ৬২ জন শান্তিরক্ষী সদস্য নতুন কন্টিনজেন্ট হিসেবে কঙ্গোতে মোতায়েন হচ্ছেন।
প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপে বিমান বাহিনীর ৩৫ জন সদস্য জাতিসংঘের ভাড়া করা ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে রবিবার (২৫ জানুয়ারি) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কঙ্গোর উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছেন। অবশিষ্ট ২৭ জন সদস্য একই এয়ারলাইন্সের ভাড়া করা বিমানে আগামী ২ ফেব্রুয়ারি কঙ্গোর উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন।
রবিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আইএসপিআর জানায়, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর এই কন্টিনজেন্টের নেতৃত্বে থাকবেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ সেলিম জাভেদ। উল্লেখ্য, কঙ্গোতে বিবদমান সংঘাত নিরসনে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সদস্যরা অত্যন্ত দক্ষতা, পেশাদারিত্ব এবং আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে সে দেশের সরকার ও আপামর জনসাধারণের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। তাদের অর্জিত এ সুনাম ও সাফল্য অক্ষুণ্ন রেখে শান্তিরক্ষীরা ভবিষ্যৎ দিনগুলোতে যেন আরও উৎকর্ষতা অর্জন করতে পারেন, এ কামনা করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে এক মোনাজাত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আইএসপিআর আরও জানায়, সহকারী বিমান বাহিনী প্রধান (পরিচালন) এয়ার ভাইস মার্শাল জাভেদ তানভীর খান ও বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিমান বন্দরে উপস্থিত থেকে তাদেরকে বিদায় জানান।
উল্লেখ্য, গত ২০ জানুয়ারি বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন কঙ্গোগামী এভিয়েশন ট্রান্সপোর্ট ইউনিট-১৫ কন্টিনজেন্ট সদস্যদের উদ্দেশ্যে বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে ব্রিফিং করেন এবং মিশনের সাফল্য কামনায় বিশেষ মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন। এসময় তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে তাদেরকে শৃঙ্খলা, সততা, পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতার সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী তথা দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনার আহ্বান জানান।
খুলনা গেজেট/এএজে



