ক্যাবল খেয়াঘাট ও কেডিএ সড়ক দখল করে বালু ও কাঠের গুঁড়ির ব্যবসা

নিজস্ব প্রতিবেদক

নগরীর খানজাহান আলী থানাধীন বিসিক শিল্পনগরী শিরোমনি এলাকার ক্যাবল খেয়াঘাট ও কেডিএ সড়কের জায়গা অবৈধভাবে দখল করে চলছে বালু ও কাঠে গুড়ির রমরমা ব্যবসা। এর ফলে ঘাট দিয়ে পারাপার যাত্রী ও মালামাল উঠানামায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে।

সরজমিনে দেখা গেছে, ক্যাবল খেয়াঘাটে যাত্রীদের উঠানামার জায়গা দখল করে কাঠের গুড়ি মজুদ রাখা হয়েছে। সেখান থেকে নছিমনে উঠানো হচ্ছে কাঠের গুড়ি। এর ফলে যাত্রীদের উঠানামার জায়গা সংকুচিত হয়ে গেছে। নৌকায় ওঠানামা করতে গিয়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়েছে। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের বেশি সমস্যা হচ্ছে। ঘাট দিয়ে পারাপারকারী যাত্রীদের নৌকায় মালামাল ওঠা নামার ক্ষেত্রেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। একই সাথে ঘাট সংলগ্ন কেডিএ সড়কের বেশ খানিকটা জায়গা দখল করে বালুর বেড তৈরি করা হয়েছে। সেখানে দেদারসে চলছে বালুর ব্যবসা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক যাত্রী বলেন, এভাবে ঘাট ও সড়কের জায়গা দখল করে কাঠের গুড়ি এবং বালুর ব্যবসার কারণে নৌকায় যাত্রী এবং মালামাল উঠানামায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে। প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে ভয়ে কেউ কিছু বলতে সাহস পায়না।

বাংলাদেশ আভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ খুলনার উপ-পরিচালক মোঃ মাসুদ পারভেজ বলেন, ঘাট এলাকায় ব্যবসা বাণিজ্য করতে হলে অবশ্যই বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি লাগে। ওখানে ব্যবসা করার জন্য আমাদের কাছ থেকে কেউ এ ধরনের অনুমতি নেয়নি। বিষয়টা আমরা দেখছি। এখনই লোক পাঠাচ্ছি। বন্ধ করার ব্যবস্থা করছি।

খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কেডিএ’র বৈষয়িক অফিসার শাহানা তাবাচ্ছুম বলেন, আমাদের এষ্টেট অফিস থেকে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে সড়কের উক্ত জায়গা ব্যবহার কিংবা ব্যবসার জন্য অনুমতি দেয়া হয়নি।

খানজাহান আলী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবুল বাশার বলেন, আমাদের কাছে এ সংক্রান্ত কোন অভিযোগ কেউ দেয়নি। সরেজমিনে যেয়ে তারপর দেখব। জনদুর্ভোগ বা সড়কের জায়গা দখল করে যদি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয় তাহলে এর বিরুদ্ধে আমরা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিব।

 

খুলনা গেজেট/এনএম




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন