ইংলিশরা যেন রীতিমতো ছেলেখেলা করছে ফ্রান্সকে নিয়ে। দারুণ এক কাউন্টার অ্যাটাকে উঠে এসেছিল ইংল্যান্ড। তবে রাশফোর্ডের শুরুর শটটা ঠেকিয়ে দেন মাইক মেনিয়ঁ। তবে বুকায়ো সাকার ফিরতি সুযোগটায় তিনি ছিলেন অসহায়, তার রক্ষণও তাকে বাঁচাতে পারেনি। ৩৭ মিনিটে তৃতীয় গোল হজম করে বসল ফ্রান্স।
খেলার ১৭ মিনিটে কর্নার থেকে গোল পায় ইংলিশরা। রাইসের দারুণ এক কর্নারে মাথা ছুঁইয়ে পুরো ফ্রান্স রক্ষণকে ফাঁকি দিয়ে বলটা জালে জড়ান এজরি কনসা।
শুরু থেকেই ফ্রান্সকে নিয়ে ছেলেখেলা শুরু করে ইংলিশরা। ঘড়ির কাটায় ৩ মিনিট হয়ওনি। ২ মিনিট ৪০ সেকেন্ডের মাথায় ইংলিশদের এগিয়ে দিলেন ডেকলান রাইস। দেজিরে দুয়ের হারানো বল ধরে গিয়ে ফ্রান্স গোলমুখে আক্রমণ করেন রাইস, তার শট গিয়ে আছড়ে পড়ে জালে। এগিয়ে যায় ইংলিশরা।

