ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছিল মোহামেডান। বিকেএসপি-৩ নম্বর মাঠে চার-ছক্কার তাণ্ডবে ভেঙে পড়েছিল আবাহনীর বোলিং আক্রমণ। এনামুল হক বিজয় ও পারভেজ হোসেন ইমনের বিধ্বংসী সেঞ্চুরির পরও শেষ পর্যন্ত ৪০৪ রানের বিশাল ইনিংস গড়েও রেকর্ড ছুঁতে পারেনি মোহামেডান। মাত্র ১৭ রানের আক্ষেপে থেমে গেছে ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা অবশ্য ভালো ছিল না মোহামেডানের। মাত্র ৩৬ রানে হারায় প্রথম উইকেট। কিন্তু এরপরই ম্যাচের দৃশ্যপট বদলে দেন ওপেনার বিজয় ও তিনে নামা ইমন। শুরু থেকে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে আবাহনীর বোলারদের চাপে ফেলেন তারা। দুজনই শতরানের গণ্ডি পেরিয়ে ইনিংসকে নিয়ে যান বিশাল উচ্চতায়।
ইমন আউট হন ব্যক্তিগত ১৫০ রানের মাথায়, আর বিজয় ফেরেন ১৪১ রান করে। তবে তাতেও থেমে থাকেনি রানের গতি। মিডলঅর্ডারে আফিফ হোসেন খেলেন ৩৩ বলে ৬১ রানের ঝোড়ো ইনিংস। শেষদিকে আনিসুল ইসলাম ইমন ১৬ বলে ৩০ রানে অপরাজিত থাকেন। নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে মোহামেডানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৪০৪ রান।
ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) এটি দ্বিতীয়বারের মতো ৪০০ রানের গণ্ডি পেরোনো ইনিংস। এর আগে গত মৌসুমে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব ব্রাদার্স ইউনিয়নের বিপক্ষে ৪২২ রান করেছিল। ডিপিএল ও লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে এটাই বাংলাদেশের কোনো দলের সর্বোচ্চ সংগ্রহ।
তবে আবাহনীর বিপক্ষে এই ম্যাচে মাত্র ১৭ রান কম হওয়ায় নতুন রেকর্ডের খুব কাছেই গিয়েও থেমে যেতে হয়েছে মোহামেডানকে। বিশ্ব লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ ৫৭৪ রান, ভারতের রঞ্জি ট্রফিতে এই রেকর্ড গড়েছিল বিহার। সর্বোচ্চ রানের তালিকায় ইমনদের ইনিংস জায়গা পেয়েছে ৯১ নম্বরে।
খুলনা গেজেট/এএজে

