২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের আগে নিজেদের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে জয় পেয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্লিভল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে কার্লো আনচেলত্তির দল ২-১ গোলে হারিয়েছে মিশরকে।
ব্রাজিলের হয়ে গোল করেন ব্রুনো গিমারায়েস ও এন্ড্রিক। মিশরের একমাত্র গোলটি আসে মোস্তফা জিকোর পা থেকে।
বিশ্বকাপের চূড়ান্ত প্রস্তুতি পর্বে এটি ছিল আনচেলত্তির শিষ্যদের টানা দ্বিতীয় জয়। যুক্তরাষ্ট্রে উড়াল দেওয়ার আগে রিও ডি জেনিরোর মারাকানা স্টেডিয়ামে পানামাকে ৬-২ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল তারা। মিশরের বিপক্ষে শেষ পরীক্ষায় সফল হয়ে আত্মবিশ্বাস আরও বেড়েছে ব্রাজিল শিবিরে।
আগামী ১৩ জুন মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে সেলেসাওরা।
ম্যাচের শুরু থেকে রাফিনিয়ার আক্রমণে মিশরের রক্ষণে কাঁপন ধরে যায়। গোল না পেলেও রাফিনিয়ার দুইটি আক্রমণ ছিল চোখধাঁধানো। গোলের জন্য ব্রাজিলকে বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়নি। ম্যাচের সপ্তম মিনিটে মিশরের মিডফিল্ডার মোহানাদ লাশিনের ভুলের সুযোগ নিয়ে গোল করেন ব্রুনো গিমারায়েস।
ব্রাজিল লিড ধরে রাখতে পারে কেবল ৪ মিনিট। সেটাও মার্কিনিয়োসের শিশুতোষ ভুলের কারণে। কোনো দিকে না তাকিয়ে ব্যাকপাস দেন পিএসজির তারকা। সুযোগটি লুফে নিয়ে জিকো বল রিসিভ করে অ্যালিসনকে পরাস্ত করেন।
গোল হজমের পর ব্রাজিলের আক্রমণ আরও বেড়ে যায়। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রাফিনিয়া ও ইগর থিয়াগো গোলের সুযোগ সৃষ্টি করেন। কিন্তু ফিনিশিংয়ে ঘাটতি থাকায় সাফল্যর মুখ দেখেননি তারা। এছাড়া মিশরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর দুর্দান্ত সেভ করে দলকে ম্যাচে রাখেন।
বিরতির পর নতুন মোড়কে মাঠে নামে ব্রাজিল। আনচেলত্তি একসঙ্গে আটটি পরিবর্তন আনেন। তাতে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। ৫২ মিনিটে রাফিনিয়ার নিখুঁত পাস থেকে জোরালো শটে জাল খুঁজে নেন তরুণ তারকা এন্ড্রিক। তার এই গোলই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ব্যবধান গড়ে দেয়। ১৯ বছর বয়সী এই তারকার গোলে ব্রাজিল আবার লিড পায় এবং তা ধরে রেখেই জয়ের হাসি নিয়ে মাঠ ছাড়ে।
ম্যাচের বাকি সময় মিশর গোল শোধের জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা করলেও ব্রাজিলের রক্ষণভাগ ছিল অটুট।
মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ব্রাজিলের হেক্সার মিশন শুরু হবে। সি গ্রুপে ব্রাজিলের অন্য দুই প্রতিপক্ষ হাইতি ও স্কটল্যান্ড।
খুলনা গেজেট/এএজে

