৪৩৭ রানের বিশাল লক্ষ্যে খেলতে নেমে ১৬২ রানের মধ্যেই ৫ উইকেট হারিয়ে বসে পাকিস্তান। এরপর দারুণ এক জুটি গড়ে বাংলাদেশকে অস্বস্তিতে ফেলেছেন সালমান আলী আগা ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। এরই মধ্যে ৬৯ রানের জুটি গড়ে ফেলেছেন তারা।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৫ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তানের রান ২৩১। জয়ের জন্য এখনো শান মাসুদের দলের প্রয়োজন ২০৬ রান। আর বাংলাদেশের দরকার ৫ উইকেট।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার (১৯ মে) দিনের প্রথম ভাগে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি উইকেট তুলে নিয়ে সফরকারী পাকিস্তানকে চাপে ফেলে দেয় টাইগার বোলাররা। আগেই দুই ওপেনারকে হারানো দলটি ১০১/২ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় সেশনে ব্যাটিং শুরু করে পাকিস্তান। তবে চা-বিরতির আগেই আরও তিনটি উইকেট হারায় তারা। বাংলাদেশের হয়ে নাহিদ রানা ও তাইজুল ইসলাম তুলে নেন বাবর আজম, সৌদ শাকিল ও শান মাসুদের গুরুত্বপূর্ণ উইকেট।
৯২ রানের জুটি ভাঙে তাইজুল ইসলামের আঘাতে। কঠিন লড়াই করা বাবর আজম ৫২ বলে ৪৭ রান করে আউট হন। তার ইনিংসে ছিল চারটি চার ও একটি ছক্কা।এরপর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি সৌদ শাকিল। নাহিদ রানার বলে ২১ বলে মাত্র ৬ রান করে বিদায় নেন তিনি। এতে ৪৩.৪ ওভারে পাকিস্তানের স্কোর দাঁড়ায় ১৫৪/৪।
একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালিয়ে যান অধিনায়ক শান মাসুদ। তিনি তুলে নেন টেস্ট ক্যারিয়ারের ১৪তম ফিফটি এবং দলকে ১৫০ রানের গণ্ডি পার করান। তবে ব্যক্তিগত ৭১ রানে তাইজুলের শিকার হন তিনি। ১১৬ বলে খেলা তার ইনিংসে ছিল আটটি চার। এরপরই জুটি গড়েন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলী আগা দলকে সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন।
সিলেট টেস্টে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ অলআউট হয় ২৭৮ রানে। লিটন দাস ১৫৯ বলে ১২৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন, যাতে ছিল ১৬টি চার ও দুটি ছক্কা।
জবাবে পাকিস্তান প্রথম ইনিংসে ৫৭.৪ ওভারে ২৩২ রানে গুটিয়ে যায়। ফলে বাংলাদেশ পায় ৪৬ রানের লিড। পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৬৮ রান করেন বাবর আজম। দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ ১০২.২ ওভারে ৩৯০ রানে অলআউট হয় এবং পাকিস্তানের সামনে ৪৩৭ রানের বিশাল লক্ষ্য ছুড়ে দেয়। বাংলাদেশের হয়ে মুশফিকুর রহিম ২৩৩ বলে ১৩৭ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন। এছাড়া লিটন দাস ৬৯ এবং মাহমুদুল হাসান জয় ৫২ রান করেন।
খুলনা গেজেট/এএজে

