সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালতের আদেশের তোয়াক্কা না করে খুলনার ৮টি খেয়াঘাট ইজারা দিয়ে পারানি আদায় করছে বিআইডব্লিউটিএ।
সূত্রে জানা গেছে, সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালত রূপসাঘাটসহ ৮টি ঘাটের ব্যাপারে আট সপ্তাহের স্থিতি আদেশ প্রদান করেন যা বর্তমান সময় পর্যন্ত বর্ধিত হয়। তা না মেনে কার্যক্রম চলমান রেখেছে বিআইডব্লিউটিএ’র খুলনা অফিস।
বিআইডব্লিউটিএ এবং জেলা পরিষদ, খুলনা ইজারা প্রদানকে কেন্দ্র করে ২০১৩ সাল থেকে মামলা চলমান রয়েছে। সর্বশেষ মামলাটি জেলা জজকোর্ট খুলনা হতে সুপ্রিম কোর্টের আপীল বিভাগে পূর্ণাঙ্গ শুনানীর জন্য অপেক্ষামান রয়েছে। ঘাটগুলির বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের চলমান মামলা জনিত কারনে দীর্ঘদিন যাবৎ বিআইডব্লিউটিএ খুলনা নদী বন্দরে অর্ন্তগত ৮টি ঘাট যথাক্রমে রূপসা ঘাট, কাষ্টমঘাট, কালীবাড়ী ঘাট, মহেশ্বরপাশা-দৌলতপুর ফেরীঘাট, হার্ডবোর্ড/ চন্দনীমহাল ফেরীঘাট, এজাঙ্ঘাট, ও ব্যারাকপুর ঘাট।
ইজারা প্রদান পদ্ধতির ৩৩ (ক) ও (গ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বর্তমান ইজারাদারকে মাসিক ৩০ দিন মেয়াদী ইজারা কার্যাদেশ প্রদান করে আসছে। বর্তমান ইজারাদার ইজারা কার্যাদেশ প্রাপ্তির পর মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালত হতে চবৎসরংংরড়হ ঃড় ংবিৎ ধভভরফধারঃ মর্মে সিপি নং-৩১৫৮/২০২৪ দায়ের করলে সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালত ঘাটগুলি পরিচালনায় স্থিতিশীল অবস্থা বজায় রাখতে প্রথমে ০৮ সপ্তাহের স্থিতি অবস্থা আদেশ প্রদান করেন যা বর্তমান সময় পর্যন্ত বর্ধিত হয়। ঘাটগুলির উপর চলমান ইজারাদারের পক্ষে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালতের পেসফুল পজিশন এন্ড পজেশন এ স্ট্যাটাস কো আদেশ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পরবর্তী যে কোনো কর্তৃপক্ষের প্রদত্ত ইজারা কার্যক্রম সম্পূর্ণ অবৈধ ও মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের আদেশের অবমাননার সমান।
এমতাবস্থায়, বিআইডব্লিউটিএ- খুলনা অফিস ঘাট/পয়েন্টগুলি ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের ইজারা প্রদান করলে চলমান ইজারাদার মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালতে গত ২৩ এপ্রিল ইজারা কার্যক্রম স্থগিত চাইলে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালত বিষয়টি আমলে এনে উক্ত ঘাটগুলির ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে ইজারা কার্যক্রম আট সপ্তাহের জন্য স্থগিত করার আদেশ প্রদান করেন।
বিষয়টি নিয়ে উপ-পরিচালক, বিআইডব্লিউটিএ, খুলনা অফিসের সাথে যোগাযোগ করলে ইজারা কার্যাক্রমের উপর সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালতের আদেশের কথা শুনেছে কিন্তু হাতে পায়নি মর্মে জানান।
খুলনা গেজেট/এনএম

