যুক্তরাষ্ট্র ও স্পেন যৌথভাবে পরিচালিত সামরিক ঘাঁটিগুলো ইরানের হামলার জন্য ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি স্পেন।দেশটির এই অবস্থানে ক্ষুব্ধ হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ নিয়ে স্পেনের সঙ্গে তার বিরোধ তুঙ্গে পৌঁছেছে। খবর আল-জাজিরার।
গত সোমবার (২ মার্চ) স্পেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসে ম্যানুয়েল আলবারেস বলেন, দেশটির ঘাঁটিগুলো ‘এই অভিযানের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে না’ এবং ‘যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত নেই এমন কোনো কাজে… অথবা জাতিসংঘের সনদের সাথে সংগতিপূর্ণ নয় এমন কোনো উদ্দেশ্যে’ এগুলো ব্যবহার করা হবে না।
এর আগে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ প্রাথমিক হামলাগুলোকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করে এর নিন্দা জানিয়েছিলেন।
এরই প্রেক্ষাপটে, যুক্তরাষ্ট্র পরবর্তীতে দক্ষিণ স্পেনের রোটা এবং মোরন সামরিক ঘাঁটি থেকে জ্বালানি সরবরাহকারী ট্যাঙ্কারসহ ১৫টি বিমান সরিয়ে নেয়।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ট্রাম্প বলেন, তিনি ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টকে স্পেনের সঙ্গে ‘সব লেনদেন বন্ধ করার’ নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি স্পেনের সঙ্গে ‘সব ধরনের বাণিজ্য বন্ধ করার’ দাবি তুলে দেশটিকে ‘ভয়াবহ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন, কারণ তারা যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি।
স্পেন এর প্রতিক্রিয়ায় বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের এই বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবিলা করার জন্য তাদের কাছে ‘প্রয়োজনীয় সম্পদ’ রয়েছে। পাশাপাশি দেশটি বলেছে, ওয়াশিংটনকে অবশ্যই ‘আন্তর্জাতিক আইন এবং দ্বিপাক্ষিক ইইউ-ইউএস বাণিজ্য চুক্তি মেনে চলতে হবে।”
খুলনা গেজেট/এমএনএস

