চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে একজন নিহতের ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে উপজেলা জামায়াতে ইসলামী। গতকাল বেলা ১১টার দিকে জীবননগর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বাসস্ট্যান্ড ট্রাফিক আইল্যান্ডে গিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশে রূপ নেয়।
সমাবেশে বক্তারা নিহত হাফিজুর রহমান হত্যাকাণ্ডে জড়িত বিএনপি কর্মীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন। বক্তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা না হলে জীবননগরে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে এবং পরিস্থিতির দায় প্রশাসনকেই নিতে হবে। এদিকে সংঘর্ষে নিহত হাফিজুর রহমানের জানাজা গতকাল বিকাল ৩টায় জীবননগর উপজেলার সুটিয়া গ্রামে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাতে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে উপজেলার হাসাদহ বাজারে বিএনপি ও জামায়েতের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া উভয় পক্ষের অন্তত পাঁচজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
নিহত ব্যক্তির নাম হাফিজুর রহমান (৪৫)। তিনি জীবননগর শহরে ঢাকা জুয়েলার্সের মালিক ছিলেন। তিনি উপজেলার বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মফিজুর রহমানের ভাই।
পুলিশের দামুড়হুদা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. আনোয়ারুল কবীর বলেন, ‘এ ঘটনায় সন্দেহভাজন দুজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিষয়ে তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
খুলনা গেজেট/এমএনএস

