লিবিয়া থেকে ফিরেছেন আরও ১৭৫ বাংলাদেশি। যুদ্ধকবলিত ওই দেশ ইউরোপে মানব পাচারের রুট হিসেবে দুনিয়াজুড়ে কুখ্যাত। সেগুনবাগিচা জানিয়েছে, লিবিয়ার বেনগাজীস্থ গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি ৩০ জন এবং বেনাগাজী ও তদসংলগ্ন এলাকায় বসবাসকারী দুস্থ, অসহায় ও শারীরিকভাবে অসুস্থ ১৪৫ জনসহ মোট ১৭৫ বাংলাদেশি যারা স্বেচ্ছায় দেশে প্রত্যাবাসনেচ্ছুক ছিলেন তাদের ফেরানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে অনিয়মিত ওইসব বাংলাদেশি নাগরিক বোরাক এয়ারের ফ্লাইট যোগে ঢাকায় পৌঁছেছেন।
সরকারি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি মতে, প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশিরভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপ গমনের উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেন বলে জানা যায়।
তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন মর্মে অভিযোগ রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়- লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার সহযোগিতায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তাগণ প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশি নাগরিকদের বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান। জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তাদের এই দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা সকলের সাথে বিনিময় করার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাদের অনুরোধ জানানো হয়।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার পক্ষ থেকে প্রত্যাবাসনকৃত প্রত্যেককে পথ-খরচা, কিছু খাদ্য সামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়।
লিবিয়ায় বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আর্ন্তজাতিক অভিবাসন সংস্থা একসঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।
খুলনা গেজেট/এমএনএস

