যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক হামলার আশঙ্কায় পারস্য উপসাগরে স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় তিন গুণ বেশি জ্বালানি তেল ট্যাঙ্কারে তুলছে ইরান। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৫ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে খার্গ দ্বীপ থেকে প্রায় ২ কোটি ১০ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানির জন্য লোড করা হয়েছে, যা দৈনিক ৩০ লাখ ব্যারেলের বেশি।
জানুয়ারির একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল এর প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। গত তিন মাসে ইরানের গড় রপ্তানি ছিল দৈনিক ১৫ লাখ ৪০ হাজার ব্যারেল। খবর মিডল ইস্ট আইয়ের।
পারস্য উপসাগরে অবস্থিত খার্গ দ্বীপ থেকেই ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ তেল রপ্তানি হয়। বিশ্লেষকদের মতে, সম্ভাব্য হামলার আগে দ্রুত তেল রপ্তানি নিশ্চিত করতে তেহরান এই পদক্ষেপ নিয়েছে। ২০২৫ সালের জুনেও যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সঙ্গে হামলায় যোগ দেয়ার আগে একইভাবে তেল রপ্তানি বাড়িয়েছিল ইরান।
এদিকে রয়টার্স জানিয়েছে, সম্ভাব্য সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় সৌদি আরবও তেল উৎপাদন ও রপ্তানি বাড়াচ্ছে। খুব বড় তেলবাহী জাহাজ ভাড়া করার খরচ বছরের শুরু থেকে তিন গুণ বেড়ে দৈনিক এক লাখ ৭০ হাজার ডলারের বেশি হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইরানের বিরুদ্ধে হামলার হুমকি দিয়ে আসছেন। অঞ্চলে বর্তমানে দুটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ও একাধিক যুদ্ধবিমান মোতায়েন রয়েছে।
সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, এ সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলে এফ-২২ র্যাপ্টর যুদ্ধবিমানও পাঠিয়েছে, যা উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে।
খুলনা গেজেট/এমএনএস

