মঙ্গলবার । ৫ই মে, ২০২৬ । ২২শে বৈশাখ, ১৪৩৩
আলোচনা সভায় সিটি মেয়র

দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে দুই শিশু সন্তানকে মুক্তিযুদ্ধে পাঠিয়েছিলেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব অত্যন্ত ধৈর্য্যশীল, সাহসী, ত্যাগী ও মহিয়সী নারী ছিলেন। সন্তানের মায়া না করে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে জনগনের মুক্তির জন্য দুই শিশু সন্তানকে যুদ্ধে পাঠিয়েছিলেন। তিনি সংসার সন্তানের দিকে না তাকিয়ে সংসার খরচের টাকা দলের পেছনে ব্যয় করেছেন। তিনি আরো বলেন, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জীবন থেকে শিক্ষা নিতে হবে। তাঁর ত্যাগ-তিতিক্ষাই বঙ্গবন্ধুকে খোকা থেকে জাতির পিতা করেছেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গমাতার অবদান অপরিসীম। বঙ্গবন্ধু গ্রেফতার হলে তিনি দলের শীর্ষ নেতাদের সাথে পরামর্শ করে দলের দিক নির্দেশনা দিতেন।

সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় দলীয় কার্যালয়ে মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মীনি এবং তাঁর রাজনৈতিক অনুপ্রেরণা, আওয়ামী রাজনীতির নেপথ্যে কুশীলব, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার মাতা বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্যামল সিংহ রায়, সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম বন্দ, নির্বাহী সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মো. ফারুক আহমেদ, শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শেখ মো. জাহাঙ্গীর আলম, নির্বাহী সদস্য রুনু ইকবাল বিথার, নির্বাহী সদস্য কাউন্সিলর মো. গাউসুল আযম, সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তসলিম আহমেদ আশা, মহানগর শ্রমিক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোতালেব হোসেন, সোনাডাঙ্গা থানা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নূরানী রহমান বিউটি, মহানগর সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি এম এ নাসিম, যুব মহিলা লীগের আহ্বায়ক এ্যাড. রাবেয়া ওয়ালী করবী। মহানগর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগের পরিচালনায় এসময়ে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা বেগ লিয়াকত আলী, মল্লিক আবিদ হোসেন কবীর, বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিন্টু, এ্যাড. রজব আলী সরদার, অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, জামাল উদ্দিন বাচ্চু, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যা. আলমগীর কবির, প্যানেল মেয়র আলী আকবর টিপু, এ্যাড. অলোকা নন্দা দাস, শেখ মো. ফারুক হাসান হিটলু, কামরুল ইসলাম বাবলু, বীরেন্দ্র নাথ ঘোষ, মো. মফিদুল ইসলাম টুটুল, শেখ নুর মোহাম্মদসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

আলোচনা সভা শেষে বঙ্গমাতা বেগম বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ আব্দুর রহীম ও মাওলানা রফিকুল ইসলাম।

 




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন