জামায়াতে ইসলামীর মহানগরী আমির মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান বলেছেন, বিদ্যুৎ খাতের সীমাহীন দুর্নীতি, অপচয় এবং কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর ক্যাপাসিটি চার্জের নামে জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটের খেসারত দিতেই বারবার জনগণের ওপর এই মূল্যবৃদ্ধির বোঝা চাপানো হচ্ছে। জনগণের প্রতি সরকারের কোনো দায়বদ্ধতা থাকলে এমন অমানবিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হতো না। সরকারের এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
তিনি দেশের বিদ্যুৎ খাতের সকল দুর্নীতি, অপচয় ও লুটপাট বন্ধ করে জনস্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের আপামর জনসাধারণের চরম দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে গণবিরোধী ও অযৌক্তিক বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহার করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।’
দফায় দফায় জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে খুলনা মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে নগরীর ডাকবাংলো সোনালী ব্যাংক চত্বরে বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এ্যাড. শাহ আলমের পরিচালনায় বক্তৃতা করেন জেলা সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান, খুলনা মহানগরী সহকারী সেক্রেটারি প্রিন্সিপাল শেখ জাহাঙ্গীর আলম, আজিজুল ইসলাম ফারাজী, মীম মিরাজ হোসাইন, মো. আব্দুল গফুর, মাওলানা শাহারুল ইসলাম, মাওলানা শেখ মো. অলিউল্লাহ, অধ্যাপক ইকবাল হোসেন, এ্যাড. শফিকুল ইসলাম লিটন, এস এম হাফিজুর রহমান, জি এম শহীদুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন, মাওলানা মোশাররফ আনসারী, মাওলানা মনোয়ার আনসারী, মোহাম্মদ মোজাফ্ফর হোসেন, জি এম সেলিম বাহার, মো. আব্দুল সালাম, জাহিদুর রহমান নাঈম, মো. আব্দুল আউয়াল, মাওলানা মো. মহিউদ্দিন, ফিরোজ আহমেদ তুহিন প্রমুখ।
পরে বিক্ষোভ মিছিল নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শিববাড়ি মোড়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

