আজ খুলনার আকাশে ভোর এসেছে নতুন অর্থে।
শহরের প্রতিটি ইট, প্রতিটি গলি, প্রতিটি মানুষের চোখে আজ এক বিশেষ দীপ্তি।
কারণ খুলনা গেজেট আজ পূর্ণ রূপে আমাদের সামনে দাঁড়িয়েছে—
দৈনিক পত্রিকা হয়ে, সত্যের অটল পতাকা হাতে।
খুলনা গেজেট মানে কেবল একটি সংবাদপত্র নয়।
এ শহরের স্পন্দন, এ অঞ্চলের ইতিহাস,
এ মাটির মানুষদের দীর্ঘ দিনের অভিমান আর প্রত্যাশার প্রতিচ্ছবি।
যেন শতবর্ষের নদীর স্রোত এসে জমেছে অক্ষরের ভাঁজে,
যেন শহরের অদৃশ্য কণ্ঠস্বর খুঁজে পেয়েছে উচ্চারণ।
কালির ঘ্রাণে ভরা প্রতিটি পৃষ্ঠা কথা বলবে
পরিশ্রমী মানুষের ঘাম দিয়ে লেখা ইতিহাসের।
বলবে মজুরের রোদে পোড়া হাতের কাহিনি,
বলবে জেলের জালে ধরা নদীর গানের সুর,
বলবে কৃষকের জমিন থেকে ওঠা আশার আলোর কথা।
খুলনা গেজেট শুধু খবর ছাপে না,
খুলনা গেজেট মানুষকে দেখায় আয়না।
যেখানে প্রতিফলিত হয় শহরের সুখ-দুঃখ,
গ্রামের আশা-অভিমান,
রাজনীতির অস্থিরতা আর সংস্কৃতির প্রাণবন্ত স্রোত।
এ কাগজে বাঁধা পড়বে সময়,
এ কাগজে লেখা থাকবে ইতিহাস,
এ কাগজেই ভবিষ্যতের স্বপ্ন জেগে উঠবে প্রতি সকালে।
২৭ আগস্ট তাই শুধু ক্যালেন্ডারের একটি তারিখ নয়।
এদিন খুলনা পেয়েছে তার নতুন পরিচয়,
পেয়েছে এমন একটি দৈনিক,
যা নির্ভীকভাবে মানুষের পাশে দাঁড়াবে,
যা সাহসের অক্ষরে বলবে সত্য,
যা দুঃখকে রূপ দেবে আশায়,
আর স্বপ্নকে বুনবে আগামী প্রজন্মের চোখে।
রাস্তার মোড়ে মোড়ে যখন সংবাদপত্রের বান্ডিল খোলা হবে,
যখন চায়ের কাপে ধোঁয়ার সঙ্গে মিশবে পাতার গন্ধ,
যখন পাঠকের চোখ প্রথম অক্ষরে থামবে—
তখনই শুরু হবে খুলনার মানুষের নতুন ভোর।
খুলনা গেজেট হবে আলোর দূত,
হবে সত্যের সেতু,
হবে মানুষের গর্ব।
আজ আমরা সবাই মিলে বলি—
“খুলনা গেজেট শুধু একটি সংবাদপত্র নয়,
এ আমাদের বিশ্বাস, এ আমাদের কণ্ঠস্বর,
এ আমাদের গৌরবের দৈনিক।”
খুলনা গেজেট/এসএস