সাতক্ষীরা জেলা জজকোর্টের সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল লতিফ মারা গেছেন। একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে সাতক্ষীরা জেলা কারাগারে থাকা অবস্থায় বুকে ব্যথা নিয়ে সোমবার (২৫ মে) ভোর রাত ৩টা ৫ মিনিটে সদর হাসপাতালে ভর্তির পর সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর ৪ টা ১০ মিনিটে তিনি মারা যান।
অ্যাডভোকেট আব্দুল লতিফ (৬৭) সাতক্ষীরার সদর উপজেলার কামারবাইশা গ্রামের মো. মুনসুর আলী সরদারের ছেলে। তিনি সাতক্ষীরা শহরের রসুলপুর এলাকার পুলিশ লাইনের পাশে নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বুকে ব্যথা নিয়ে অ্যাডঃ আব্দুল লতিফ সোমবার ভোর রাত ৩ টা ৫ মিনিটের সময় সদর হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর রাত ৪টা ১০ মিনিটে তিনি মারা যান।
সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাক্তার ত্রিদেব দেবনাথ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাঃ মাসুদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
প্রসঙ্গত, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অ্যাডভোকেট আব্দুর লতিফ সাতক্ষীরা জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর তিনি পালিয়ে খুলনায় চলে যান। সাতক্ষীরা শহরের রসুলপুর এলাকায় পুলিশ লাইন্সের পাশে তার ৬ তলা বাড়ির একটি ফ্লাট গোপনে বিক্রিকালে ২০২৫ খালেদ ১২ ডিসেম্বর দুপুরে জেলা গোয়েন্দা শাখা পুলিশ খুলনার বয়রা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে আব্দুল লতিফ ও তার ছেলে রাসেলকে গ্রেপ্তার করে। সেই থেকে তিনি সাতক্ষীরা কারাগারে অন্তরীণ ছিলেন।
এ বিষয়ে জানার জন্য সাতক্ষীরা জেলা কারাগারের জেল সুপার ও জেলার এর মোবাইল নাম্বারে বারবার রিং করলেও তারা কেউ ফোন রিসিভ করেননি।
খুলনা গেজেট/এনএম

