সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের মাদিয়া এলাকায় খোলপেটুয়া নদী রক্ষা বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত বুধবার সকালে শুরু হওয়া এই ভাঙনে প্রায় ২৫০ ফুট এলাকা ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদিয়া এলাকার দূর্গাবাটী মন্দির সংলগ্ন নদীর চরে হঠাৎ করেই তীব্র ভাঙন শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পানি উন্নয়ন বোর্ড জরুরি ভিত্তিতে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং কার্যক্রম শুরু করেছে। তবে নদীর স্রোত ও জোয়ারের তীব্রতায় ভাঙন আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
এই অংশ দিয়ে বেড়িবাঁধ ভেঙে গেলে অন্তত ৮ থেকে ১০টি গ্রাম প্লাবিত হবে। এতে হাজার হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি ফসলি জমি, মাছের ঘের ও বসতবাড়ির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।
স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য নীলকান্ত রফতান বলেন, “দূর্গাবাটী মন্দির সংলগ্ন মাদিয়া এলাকায় যেভাবে নদীর চরে ভাঙন শুরু হয়েছে, দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরনের দুর্যোগ দেখা দেবে। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে বহু এলাকা নদীর নোনা পানিতে তলিয়ে গিয়ে জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হবে।”
এদিকে, শনিবার সকাল থেকে এলাকাবাসী এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধির উদ্যোগে বালুর ভর্তি জিও ব্যাগ দিয়ে নদী ভাঙন রোধের চেষ্টা চলছে। তবে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এর কোনো তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়নি।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত টেকসই বাঁধ নির্মাণ ও জরুরি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের দাবি, উপকূলীয় এলাকার মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় অবিলম্বে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি।
খুলনা গেজেট/এনএম

