বুধবার । ৪ঠা মার্চ, ২০২৬ । ১৯শে ফাল্গুন, ১৪৩২

কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে আজও বিক্ষোভ

গেজেট প্রতিবেদন

কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মো. ইকবাল হোসেনকে বদলির প্রজ্ঞাপন বাতিল করে বহাল করার দাবিতে আজও বিক্ষোভ হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল ১০টায় ‘২৪-এর জুলাই আন্দোলনের’ যোদ্ধা এবং জেলার সর্বস্তরের সাধারণ জনগণের ব্যানারে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

তবে এই আন্দোলনের মধ্যে আজই জেলা প্রশাসক মো. ইকবাল হোসেন স্থানীয় সরকারের কুষ্টিয়ার উপ-পরিচালক (ডিডিএলজি) আহমেদ মাহবুব উল ইসলামের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তা।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন আন্দোলনকারীরা। মিছিলটি কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়ক ও শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে এসে অবস্থান কর্মসূচিতে মিলিত হয়।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, বর্তমান জেলা প্রশাসক মো. ইকবাল হোসেন জনবান্ধব ও কর্মঠ। তার মতো দক্ষ কর্মকর্তাকে কুষ্টিয়া থেকে প্রত্যাহার করা মেনে নেওয়া হবে না। অবিলম্বে এই প্রত্যাহার আদেশ বাতিল করে তাকে কুষ্টিয়াতেই বহাল রাখার জোর দাবি জানান তারা। অন্যথায় আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. জাহাঙ্গীর আলম বিকেল ৩টায় বলেন, আজই জেলা প্রশাসক মো. ইকবাল হোসেন স্থানীয় সরকারের কুষ্টিয়ার উপ-পরিচালক (ডিডিএলজি) আহমেদ মাহবুব উল ইসলামের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন। সে প্রস্তুতি এখন চলছে।

গত রবিবার সন্ধ্যায় কুষ্টিয়াসহ পাঁচটি জেলার ডিসিকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করার প্রজ্ঞাপন জারি হয়। এরপর তাকে বহাল রাখা নিয়ে জামায়াতে ইসলামী ও জুলাই যোদ্ধাদের ব্যানারে আন্দোলন করা ব্যক্তিদের সঙ্গে বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।

সোমবার সকালে জামায়াতে ইসলামী, ‘২৪-এর জুলাই আন্দোলনের’ যোদ্ধা ও বিকেল ৩টার দিকে বিএনপির নেতা-কর্মী উভয় পক্ষ বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করে।

উল্লেখ্য, গত ১ মার্চ রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে কুষ্টিয়াসহ দেশের চারটি জেলার জেলা প্রশাসককে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়। এরপর থেকেই কুষ্টিয়ায় এই প্রত্যাহারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও প্রতিবাদ শুরু হয়।

খুলনা গেজেট/এএজে




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন